‘ফ্রি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক’ হতে সাবধান!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক’ পেয়ে হয়তো আপনি পুলকিত হতে পারেন। কিন্তু সাবধান! ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক’ আপনাকে দেউলিয়া করতে পারে!

free-wi-fi-networks-to-be-careful

‘ফ্রি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক’ নিয়ে অনেক কথার এক কথা হলো, সর্বস্ব হারানোর আগে সাবধান হওয়াই ভালো- এমন পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে স্মার্টফোন কালচারে ‘ওয়াই-ফাই’ একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এরমধ্যে রয়েছে মোস্ট অ্যাট্রাক্টিভ ‘ফ্রি-ওয়াই-ফাই’-এর সুবিধা। বর্তমানে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ জোনের এতোটাই চাহিদা যে রেলস্টেশন, বিমানবন্দর হতে শুরু করে বহু রেস্তোরাঁ এমনকি বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাও গ্রাহক টানতে এখন এর দ্বারস্থ হচ্ছে। যে কারণে এইসব স্থানে গেলে কোনও পাসওয়ার্ড ছাড়াই বিনামূল্যে ‘ওয়াই-ফাই’ কানেক্ট করা সম্ভব হয়।

মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ‘ওয়াই-ফাই’ হলো একটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে মোবাইল কিংবা ল্যাপটপে কোনও বাড়তি ডিভাইস বা কেবল সংযোগ না লাগিয়েও ইন্টারনেট কানেকশন পাওয়া সম্ভব। এমনকী, ‘ওয়াই-ফাই’ দিয়ে একটি ইন্টারনেট কানেকশনকে বহুজনে শেয়ার করে ব্যবহার করাও সম্ভব।

বর্তমানে এই ‘ওয়াই-ফাই’ কানেকশন বহুস্থানে ফ্রি-তেই পাওয়া যায়। তবে এইসব ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ কানেকশনে কোনও পাসওয়ার্ড থাকে না, এমনকী এর রাউটারও অত্যন্ত নিম্নমানের হয়ে থাকে। যে কারণে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’-এ কানেক্ট হওয়া স্মার্টফোন খুব সহজেই হ্যাক হয়ে যেতে পারে। এমনকী, ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকের তথ্যাদি কাওকে পাঠাচ্ছেন, তাও খুব সহজেই একজন হ্যাকার দেখে ফেলতে পারেন।

‘ওয়াই-ফাই’ নেটওয়ার্কের জন্য একটি ‘হটস্পট’ মেশিন প্রয়োজন হয়। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় যে, এই ‘হটস্পট’ মেশিনের ভাইরাস প্রতিরোধ করার কোনো ক্ষমতা থাকে না। যে কারণে এই ‘হটস্পট’-এর সঙ্গে সংযোগ থাকা মোবাইল বা ল্যাপটপেও সেই ভাইরাস ঢুকে যেতে পারে।

এমন কিছু ভাইরাস থাকে যাদের কাজ হলো ডিভাইসের ভিতর হতে যাবতীয় তথ্য বের করে হ্যাকারকে পাঠিয়ে দেওয়া। বহু সময় ধরে পাবলিক ‘ওয়াই-ফাই’ জোনে নানা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো থাকে। যাতে করে এই ‘ওয়াই-ফাই’ জোনে স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপগুলিকে সাবধানে ব্যবহার করা হয় তার জন্য।

আমরা অধিকাংশ সময়ই আমরা এইসব সাইনবোর্ডকে পাত্তা দেইনা। ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ জোনে একজনের স্মার্টফোন ব্যবহারকারী কিংবা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর ‘ডেটা কমিউনিকেশন’ পড়ে ফেলতে পারে।

তবে সবচেয়ে ক্ষতিকর বিষয় হতে পারে যদি কোনওভাবে হ্যাকাররা মোবাইলে থাকা ব্যাংকিং ডিটেলস, যেমন অ্যাকাউন্ট নাম্বার, ডেবিট কার্ড নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর পেয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মাথা চাপড়ানো ছাড়া উপায় থাকে না।

তাই বিশেষজ্ঞরা সুরক্ষিত ‘ওয়াই-ফোন জোন’ ছাড়া কোথাও মোবাইল বা ল্যাপটপ কানেক্ট না করতেই পরামর্শ দিয়েছেন।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...