The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এমন এক বিমান যা সত্যিই রহস্যঘেরা!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিমানের ভেতরে এবং বাইরে সবটা মিলিয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস থাকে যেগুলো ছাড়া একটি বিমান কখনই পরিপূর্ণতা পায় না। এক কথায় বললে বিমান আসলেই এক রহস্যময়।

aircraft-which-really-weird

প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলাফল¯স্বরূপ সেই গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলোর কাতারে বেশ ভালোভাবে নিজের নাম ঢুকিয়েছে যেটি সেটি হলো ব্ল্যাক বক্স। তবে কেবল ব্ল্যাক বক্সই নয়, বিমানের সাথে জড়িত সবধরনের ব্যাপারগুলো নিয়ে আজ অব্দি পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সবচাইতে রহস্যময় ও অমীমাংসিত দুর্ঘটনাগুলো নিয়ে তৈরি হয়েছে এই প্রতিবেদন।

রহস্যময় দুর্ঘটনা: ইজিপ্ট এয়ার ফ্লাইট ৯৯০

৩১ অক্টোবর, ১৯৯৯ সাল। এর কিছুদিন পূর্বে ইজিপ্ট এয়ার ফ্লাইট ৯৯০-এর সহকারী বৈমানিকের নামে অভিযোগ ওঠে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মীর ওপর যৌন নির্যাতনের। বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয় বিষয়টি। অভিযুক্ত আল বাতৌতিকে বিমানটি উড়তে শুরু করার আগেও প্রধান বৈমানিক হাতেম রুশদি মনে করিয়ে দেন যে, এটাই তার শেষ ফ্লাইট! এর খানিকক্ষণ পর বিমানটি ঠিকঠাকভাবে আকাশে ওড়ে ও পরিস্থিতি অনুকূলে দেখে হাতেম যান বাথরুমে। এর খানিক পরেই বিমানের ব্ল্যাক বক্সে শোনা যায় বাতৌতির কন্ঠ। “ আমি আমাকে ঈশ্বরের হাতে সমর্পণ করছি ”

এর কিছুক্ষণ পরেই সাগরে আছাড় খেয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি। ওই দুঘটনায় মারা যায় প্রায় ২১৭ জন মানুষ। সেদিন ঠিক কি ঘটেছিলো? এটি কি আত্মহত্যা ছিলো নাকি অন্যকিছু? উত্তরও এক রহস্যে মোড়া।

অপয়া সংখ্যা ১৯১

আমেরিকার ইতিহাসে এ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া বিমান দুর্ঘটনাগুলোর ভেতরে অন্যতম হলো ১৯৭৯ সালের ফ্লাইট ১৯১। উড্ডয়নের খানিক পরেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি। এতে মারা যায় ২৫৮ জন যাত্রী ও ১৩ জন কর্মী। এই ঘটনার বেশ ক’বছর আগের কথা। ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট ১৯১ নামের আরেকটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পতিত হয়। সেখানে মারা পড়ে বিমানটির পাইলট। এসব ঘটনার অনেক বছর পরের ইতিহাস এটি। শেষবারের মতো ১৯১ সংখ্যাযুক্ত আরেকটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ২০১২ সালে। বৈমানিকের পরিবর্তে তখন বিমানের দায়িত্ব নিয়ে নেন যাত্রীরাই। পরপর তিনবার এমন ঘটনা ঘটার কারণেই কিনা কে জানে, বর্তমানে অনেক এয়ারলাইন্সই ১৯১ সংখ্যাটি কেও ব্যবহার করতে চায় না!

একেবারেই হারিয়ে গেছেন যারা

রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের নাম তো অনেকের জানা। যেখান থেকে ফিরে আসতে পারেনা কোনো জাহাজ, মানুষ কিংবা বিমান। এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কাছাকাছি যেতেই সেবার ১৯৪৫ সালের ৫ ডিসেম্বর আমেরিকার ৫টি নতুন বিমান বেশ অন্যরকম বার্তা পাঠায়। সাগরটা কেমন যেনো অন্যরকম লাগছিলো যাত্রীদের কাছেও। অন্যরকম ও অদ্ভূত লাগছিলো বিমানের গতিপ্রকৃতি এবং চারপাশের পরিবেশও। কেনো এমন লাগছিলো? সেটার উত্তর অবশ্য আজও জানা যায়নি। কারণ উপরের বার্তাটি পাঠাবার খানিক পরেই হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায় পরপর এই ৫টি বিমানই। ভীনগ্রহবাসী, ভূত-প্রেত কিংবা অন্যকিছুর কারণে? রহস্য রয়ে গিয়েছে এখনও।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...