The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মঙ্গলে বাসগৃহের নকশা উন্মোচন করা হলো!

মঙ্গলে বাড়ির জন্য এমন একটি ধারণা গ্রহণ করেছেন যাকে বলা হচ্ছে ‘মঙ্গলের বরফগৃহ’!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মঙ্গলগ্রহ নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণার যেনো শেষ নেই। তাঁরা প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন মঙ্গলগ্রহে কিভাবে বসবাস করা যায়। তারই ধারাবাহিকতা হিসেবে এবার মঙ্গলে বাসগৃহের নকশা উন্মোচন করা হলো।

মঙ্গলে বাসগৃহের নকশা উন্মোচন করা হলো! 1

নাসার ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টারের গবেষকগণ একদল স্থপতির সঙ্গে মিলে বাড়ির জন্য এমন একটি ধারণা গ্রহণ করেছেন যাকে বলা হচ্ছে ‘মঙ্গলের বরফগৃহ’। মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর পর তাদের বাসগৃহ কেমন হতে পারে তেমনই একটি নকশা সম্প্রতি উন্মোচন করেলো নাসা।

নাসার সিনিয়র সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার কেভিন ভিপাভেটজ এ বিষয়ে বলেছেন, ‘প্রয়োজন, লক্ষ্য এবং সীমাবদ্ধতা এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর পর আমরা অনেক উদ্ভট ধারণার কথা ভেবেছিলাম এবং অবেশেষে এই বরফ বাড়ির নকশার সিদ্ধান্তে আমরা উপনীত হয়েছি। নাসার এই বরফ বাড়ির বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। এটি হালকা ও সহজে একস্থান থেকে অন্য স্থানে সরল রোবটযানের মাধ্যমে বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তারপর বসবাসকারীরা পৌঁছানোর পূর্বেই পানি ঢেলে এটি প্রস্তুত করে নেওয়া যাবে।’

এই আশ্রয়ের গৃহটিতে থাকার জন্য এটিকে মহাজাগতিক রশ্মি ও বিকিরণ হতে সুরক্ষিত হতে হবে। এই কাজের জন্য ভূঅভ্যন্তরীণ কক্ষই সবচেয়ে কার্যকর হতো। তবে তারজন্য অত্যন্ত ভারী সরঞ্জামের প্রয়োজন, যা মঙ্গলে বয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় দুঃষ্কর ব্যাপার। কাজেই এমন একটি বিকল্প নির্মাণ সামগ্রীর প্রয়োজন ছিলো, যা এ ধরনের প্রতিরোধের জন্য কার্যকর হবে। গবেষকরা মনে করছেন বরফ এই ক্ষেত্রে বেশি উপযুক্ত।

নাসার প্রধান উদঘাটক কেভিন কেম্পটন রশিয়ে রশিয়ে বলেছেন, ‘মহাশূন্যে কয়েকমাস ভ্রমণ শেষে যখন আপনি মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করবেন, সেখানে আপনার জন্য নতুন বাড়ি প্রস্তুত থাকবে। তখন আপনার জন্য দিনটি খুবই চমৎকার হিসেবে দেখা দেবে।’

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...