The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ইলন মাস্ক যে কারণে উড়ন্ত গাড়ি পছন্দ করেন না

গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ হতে শুরু করে উবারের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান উড়ন্ত গাড়ির প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট শুরু করতে চলেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সাম্প্রতিক সময়ে ফ্লাইং কার বা উড়ুক্কু গাড়ি নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। বিশ্ব যখন এই উড়ন্ত গাড়ি নিয়ে ব্যস্ত তখন ইলন মাস্ক উড়ন্ত গাড়িকে পছন্দের তালিকা থেকে বাদ দিলেন! কিন্তু কেনো?

ইলন মাস্ক যে কারণে উড়ন্ত গাড়ি পছন্দ করেন না 1

গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ হতে শুরু করে উবারের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান উড়ন্ত গাড়ির প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট শুরু করতে চলেছে। তবে টেসলা সিইও ইলন মাস্ক মাটির নিচ হতে মহাশূন্য পর্যন্ত পরিবহন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করলেও তিনি কিন্তু ফ্লাইং কার বা উড়ন্ত গাড়ির ধারণা নিয়ে মোটেও আগ্রহী নন।

গত ফেব্রুয়ারিতে ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইলন মাস্ক বলেছেন, ফ্লাইং কার ট্রাফিক ব্যবস্থার জন্য মোটেও কোনো ভালো সমাধান নয়। সম্প্রতি ভূগর্ভস্থ যোগাযোগ ব্যবস্থা (টানেল সিস্টেম) নিয়ে ইলন মাস্কের পরিকল্পনার একটি কনসেপ্ট ভিডিও প্রকাশিত হয়। টানেল সিস্টেমকে উড়ন্ত গাড়ির চেয়েও ‘কম পাগলাটে/কম আজগুবি’ বলে মনে করেন ইলন মাস্ক।

মাস্ক ব্লুমবার্গকে বলেন, “আমি নিশ্চয়ই উড়ন্ত বস্তু ভালোবাসি। তবে এটা চিন্তা করা খুবই কঠিন যে, উড়ন্ত গাড়ি একটি পরিবর্ধনযোগ্য সমাধান হয়ে উঠতে পারে।”

বেশ কয়েকটি কোম্পানিও উড়ন্ত গাড়ির ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ নিজেও একটি উড়ন্ত গাড়ি তৈরিকারী স্টার্টআপ জি.অ্যারো (Zee.Aero) এ তে অর্থায়ন করছেন এবং উবার’ও একটি উড়ন্ত গাড়ি প্রকল্প চালু করতে চলেছে।

এরা সবাই-ই যে স্বাভাবিক আকারের গাড়ি তৈরি করছে তা কিন্তু নয়। কারণ তারা এসব গাড়ি রাস্তায় চালানোর জন্য তৈরি করছেন না, বরং বিমানের মতোই তৈরি হচ্ছে এগুলো। যেমন, জি অ্যারো এবং উবার ভার্টিক্যাল টেইকঅফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (VTOL) প্রযুক্তির উড়ন্ত যান তৈরি করছে তারা। যেগুলো কোনো রানওয়ে ছাড়া উড্ডয়ন এবং অবতরণে সক্ষম।

ইলন মাস্ক আরও বলেছেন, উড়ন্ত গাড়িকে আকাশে ভাসিয়ে রাখতে প্রচুর পরিমাণে নিম্নমুখী বল প্রয়োগ করতে হবে। যেটা নিচে প্রচুর বাতাস ও শব্দের সৃষ্টি করতে পারে যা লোকজনের জন্য বিরক্তির কারণও হতে পারে। তিনি বলেছেন যে, যদি এসকল গাড়ি সঠিকভাবে পরিচালনা না করা যায়, তবে আকাশে ওড়ার সময় গাড়িগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হলে গাড়িগুলো কিংবা এগুলোর ভগ্নাংশ নিচে পড়ে যেতে পারে, যা দ্বারা মানুষজন আহত বা নিহতও হতে পারেন। এছাড়া ফ্লাইং কার সব সময় মাথার ওপর আওয়াজ করে ঘুরতে থাকবে, যা জন সাধাণের জন্য উদ্বেগের কারণও হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...