The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভারতে ঢুকে পড়ার হুমকি চীনা বাহিনীর!

ভারতীয় সেনারা বারংবার নানা অজুহাত দেখিয়ে চীনের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, এমন অভিযোগ করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার চীনা বাহিনী হুমকি দিয়েছে ভারতে ঢুকে পড়ার! ভুটান-চীন সীমান্তের ডোকলাম নিয়ে ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে এশিয়ার এই দুই মহাশক্তিধর দেশ ভারত এবং চীন।

ভারতে ঢুকে পড়ার হুমকি চীনা বাহিনীর! 1

এমন এক পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তবে এই পরিস্থিতিতেও গত মঙ্গলবার আবারও ভারতকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন।

ডোকলাম সিমান্ত নিয়ে নয়াদিল্লির অবস্থানকে হাস্যকর ও ন্যাক্কারজনক দাবি করে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ভারতের এই অবস্থানের পর যদি কোনো কারণে চীনের সেনাবাহিনী সেদেশে প্রবেশ করে সেক্ষেত্রে ‘চরম এক বিশৃঙ্খলা’র সৃষ্টি হতে পারে।

ভারতীয় সেনারা বারংবার নানা অজুহাত দেখিয়ে চীনের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, এমন অভিযোগ করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। চীনের মুখপাত্র বলেছেন, ‘ভারত-চীন সীমান্তে চীন রাস্তা তৈরি করছে। ব্যাপকভাবে উন্নয়নের কাজ চালানো হচ্ছে। এই অজুহাতে বারংবার ভারতীয় সেনা সীমান্ত পেরিয়ে চীনে চলে আসছে। এই কারণগুলি সত্যিই খুব হাস্যকর, ন্যাক্কারজনক। কেনো এই কাজ করা হচ্ছে তা সকলেই খুব সহজেই বুঝতে পারছে।’

তনি এর সঙ্গে আরও যোগ করে বলেন, ‘আপনারা এই বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করুন। আমরা যদি ভারতের অদ্ভুত যুক্তিগুলি মেনে নিই, তার মানে এটাই দাঁড়াচ্ছে যে, প্রতিবেশির কোনো কাজে যদি আপনি কখনও অসন্তুষ্ট হন, তাহলে সরাসরি তার বাড়িতে বিনা অনুমতিতেই ঢুকে পড়বেন। সীমান্তে ভারতও রাস্তা নির্মাণ বা বড়মাপের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ করেই থাকে। সেক্ষেত্রে চীনের সেনাবাহিনী কী কখনও দেশের সুরক্ষার খাতিরে ভারতীয় সীমানায় ঢুকে পড়তে পারে? সেটা পরিস্থিতিকে আরও বিশৃঙ্খল করে তুলবে না?’ এমনই প্রশ্ন তুলেছেন চীনের বিদেশমন্ত্রকের এই মুখপাত্র।

তবে এখানেই শেষ নয়, কয়েকদিন পূর্বেই ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন, ভারত কখনই অন্য কোনও দেশের জমি দখল করেনি, কিংবা তাদের আক্রমণ করে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে চীনের এই মুখপাত্র বলেন, ‘চীনও সবসময়ই শান্তিবজায় রাখতে পছন্দ করে। তবে এর পাশাপাশি বেইজিং দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতেও বদ্ধপরিকর। বিনা অনুমতিতে অন্য কাওকে নিজেদের এলাকায় প্রবেশ করে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করতে দেবো না আমরা কখনও।’

Loading...