The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিস্মিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা: সৌরজগতের বাইরে প্রথমবার ‘শিশু গ্রহ’ তৈরির দৃশ্য ধারণ!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহাকাশ গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনাগুলোর একটি হলো- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো একটি নবজাতক গ্রহ বা “শিশু গ্রহ” তৈরির প্রক্রিয়ার প্রত্যক্ষ প্রমাণ পেয়েছেন।

বিস্মিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা: সৌরজগতের বাইরে প্রথমবার ‘শিশু গ্রহ’ তৈরির দৃশ্য ধারণ! 1

এতদিন বিজ্ঞানীরা ধারণা করতেন, নক্ষত্রের চারপাশে ধুলা ও গ্যাসের বিশাল চাকতি থেকে ধীরে ধীরে গ্রহের জন্ম হয়। কিন্তু এবার অত্যাধুনিক টেলিস্কোপের সাহায্যে সেই প্রক্রিয়ার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, একটি তরুণ নক্ষত্রের চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্যাস ও ধুলার চাকতির মধ্যে একটি উজ্জ্বল অংশ ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এটিই ভবিষ্যতের একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রহে পরিণত হবে। এই পর্যবেক্ষণ গ্রহ গঠনের দীর্ঘদিনের তত্ত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রহের জন্ম কোনো দ্রুত ঘটনা নয়। একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রহ তৈরি হতে কয়েক লাখ থেকে কয়েক মিলিয়ন বছর সময় লাগে। তবে এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সূচনালগ্নের প্রমাণ পাওয়া জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য গ্রহ কীভাবে তৈরি হয়, সেই বিষয়ে আরও নির্ভুল ধারণা দিতে পারে। পাশাপাশি সৌরজগতের উৎপত্তি সম্পর্কেও নতুন তথ্যও মিলতে পারে।

গবেষকরা আশা করছেন. যে, আগামী কয়েক বছরে আরও উন্নত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তির মাধ্যমে একই ধরনের আরও বহু নবজাতক গ্রহ শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এতে মহাবিশ্বে পৃথিবীর মতো গ্রহের সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা আরও স্পষ্ট হবে।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

1 টি মন্তব্য
  1. dewatogel বলেছেন

    I just like the helpful information you provide in your articles

bn_BDBengali