দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ টেকসই অবকাঠামো, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল উৎপাদন চর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস বাংলাদেশ ২০২৬-এ পুরষ্কার অর্জন করেছে এনার্জিপ্যাক ফ্যাশনস লিমিটেড।

‘এক্সিলেন্স ইন গ্রিন বিল্ডিং অ্যান্ড সাস্টেইনাবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ বিভাগে এই পুরষ্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
পুরস্কারটি যৌথভাবে আয়োজন করে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ, যা বাংলাদেশে জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট -এর নেটওয়ার্ক, এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ- ইএসজিও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে শিক্ষা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্পোরেট সম্পৃক্ততার একটি শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্ম।
গত ৫ সেপ্টেম্বর, শনিবার, রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের লা ভিটা হলে আয়োজিত এই পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এনার্জিপ্যাক ফ্যাশনস লিমিটেডের পক্ষ থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আয়াত রশিদ।
এই অর্জন সম্পর্কে এনার্জিপ্যাক ফ্যাশনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ বলেন, “এই স্বীকৃতি আমাদের টেকসই ও ভবিষ্যৎ উপযোগী উৎপাদনশিল্প খাত গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে আরও উৎসাহিত করবে। আমাদের কাছে টেকসই উন্নয়ন শুধুমাত্র নিয়ম মেনে চলার বিষয় নয়; বরং এটি উদ্ভাবন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। ভবিষ্যতেও এনার্জিপ্যাক ফ্যাশনস লিমিটেড বাংলাদেশে দায়িত্বশীল উৎপাদন ব্যবস্থার প্রসার এবং টেকসই উন্নয়নে আরও উচ্চতর মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবে।”
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org