বিশ্বের প্রথম আলাপচারী রোবট মহাকাশচারী

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বিশ্বের প্রথম আলাপচারী রোবট পাঠাবে জাপান। চলতি বছর আগস্ট মাসেই রোবটটি পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। রোবটটির নাম রাখা হয়েছে কিবো যার ইংরেজি অর্থ দাড়ায় Hope বা আশা-প্রত্যাশা।


kirobo robot

টোকিও ভিত্তিক এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের কিরোবো প্রজেক্ট (Kirobo Project) এর নামানুসারে রোবটটির নাম রাখে কিবো। কিবো মানুষের মতন কথা বলতে পারে। মহাকাশে প্রেরিত অন্যান্য রোবট এর তুলনায় কিবো আকারে অনেক ছোট। মূলত মহাকাশ যোগাযোগ, মহাকাশে থাকা রোবট এর সাথে মানুষ যাতে কথা বলতে পারে এবং দরকারি গবেষণা তথ্য সংগ্রহ করতে পারে সেই উদ্দেশ্যে রোবটটি নির্মাণ করা হয়েছে। মাত্র ৩৪ সেন্টিমিটার লম্বা (১৩ ইঞ্চি) এবং ১ কিলোগ্রাম (২.২ পাউন্ট) ভরের রোবটটি অনেক কাজেই পারদর্শী। রোবটটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে কথোপকথন এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারে।

কিরোবো প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়োরিচিকা নিশিজিমা বলেন, প্রথম মহাকাশ গমন করে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র চাঁদে প্রথম পা রাখে, আমরা জাপানিরা মহাকাশে প্রথম আলাপচারী রোবট মহাকাশচারী পাঠাচ্ছি যা মানুষের সাথে কথোপকথন করতে পারবে। রোবো গ্যারেজ কোম্পানির সিইও এবং ইউনিভার্সিটি অব টোকিও এর সহযোগী অধ্যাপক তোমোতাকা তাকাহাসি আশা বাদ ব্যক্ত করেন যে, এই রোবট অচিরেই মহাশূণ্যে মানব মহাকাশচারীদের সাথে এক যোগে কাজ করবে।

অনেকেই মনে করছেন মহাশূণ্যে প্রেরিত রোবট হতে হলে আকার আকৃতিতে টেকসই এবং বড় হওয়া উচিত। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আলাপচারী রোবট ছোট আকৃতিতে বানানোর প্রেক্ষাপট এবং যুক্তি তুলে ধরেন। আলাপচারী রোবট এর একমাত্র কাজই হবে মহাশূণ্যে অবস্থান করে পৃথিবীতে যোগাযোগ রাখা এবং কথা বলা। আলাপচারী রোবট মহাশূণ্যে অন্য ধরণের কোন কাজে যেখানে শারীরিক সক্ষমতা দক্ষতা প্রয়োজন অংশগ্রহণ করবে না।

নতুন ধরণের এই রোবট এর প্রদর্শণীর সময় কালে টয়েটা কোম্পানির প্রোজেক্ট জেনারেল ম্যানেজার ফিউমিনন কাটাওকা আলাপচারী রোবটটিকে তার স্বপ্ন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে কিরোবো জবাব দেয়, আমি এমন এক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি যেখানে রোবট এবং মানুষ একত্রে বসবাস করবে।

আরো বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে:

তথ্যসূত্র: স্টার ট্রিবিউন

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...