The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

কিভাবে মাপা সম্ভব মহাকাশের তাপমাত্রা?

বিশেষজ্ঞ এবং বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে বিশদ গবেষণা করে বিশ্লেষণ করেছেন। এখনও চলছে এর পরীক্ষা নিরীক্ষা।

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহাকাশ শব্দটি ভেবে চোখ বন্ধ করলেই বিশাল শূন্যতা দেখা যায়। যে শূন্যতার কোনোই শেষ নেই। যেখানে নানা রহস্য বিদ্যমান। এই মহাকাশের তাপমাত্রা আসলে কতো? সেই প্রশ্ন আমাদের সকলের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

কিভাবে মাপা সম্ভব মহাকাশের তাপমাত্রা? 1

একটা বিষয় সব সময়ই যেনো পাশ কাটিয়ে যায়। আর সেটি হলো মহাকাশের তাপমাত্রার পরিমাপ। বিষয়টি নিয়ে নিরন্তন আলোচনা না হলেও পরিবর্তনশীল বিশ্বব্রাহ্মাণ্ডে অন্য সব কিছুর মতোই তাপমাত্রারও বিবর্তনের (এক অবস্থান হতে অন্য অবস্থানে যাওয়া বা স্তরান্তর হওয়া) পথে এসে দাড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞ এবং বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে বিশদ গবেষণা করে বিশ্লেষণ করেছেন। এখনও চলছে এর পরীক্ষা নিরীক্ষা।

একটি বড় প্রশ্ন মাথায় আসে সব সময়, সেটি হলো কিভাবে মাপা হয় মহাকাশের তাপমাত্রা, কিভাবে এর পরিমাপই বা করা সম্ভব? মুহূর্তেই মাথায় আসে একটাই নাম থার্মোমিটারের নাম। এর সাহায্যেই না আমরা আমাদের দেহের তাপমাত্রা পরিমাপ করে থাকি। অসুস্থ হলে, গায়ে জ্বর এলেও আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়! অনেকটা জড় বস্তুর ক্ষেত্রে তার উপাদানের কণার গতির উপর তাপমাত্রা নির্ভর করে। যেমন পানির কথা ধরুন। পানির অণুর গতি অত্যন্ত কম হলে তা বরফে রূপান্তরিত হয়ে যায়। গতি বেড়ে গেলে ঘূর্ণায়মান কণাগুলির মধ্যেও সংঘাত ঘটে এবং তখন উত্তাপ সৃষ্টি হয়।

তখন পানি তরল হয়ে যায়। কণার গতিও আরও বেড়ে গেলে পানি তখন ফুটতে শুরু করে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক বিকিরণকে থার্মোমিটার হিসেবে ব্যবহার কররে থাকেন। সেগুলির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যতো কম, তার উৎসস্থানও ততোই উষ্ণ হয়ে থাকে।

যেমন বলা যায় বিগ ব্যাং। এটি একটা আদি বিস্ফোরণ যা বেশ প্রচলিত একটি সংজ্ঞা। এটি নাকি ১৪০০ কোটি বছর পূর্বে বিশাল এক বিস্ফোরণের কারণে এই বিশাল মহাকাশের সৃষ্টি হয়েছিলো। সৃষ্টি হয়েছিলো অকল্পনীয় মাত্রার উত্তপ্ত এক গ্যাস। এই গ্যাস হতে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ এবং মহাজাগতিক বস্তুগুলির জন্ম হয়। সে সময় নানা রকম তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়েছিলো।

আমাদের সূর্যের মতো নক্ষত্রেও রয়েছে অত্যন্ত গতিশীল ও শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র। সেইসব ক্ষেত্র কণাগুলির গতি মারাত্মক হারে বাড়িয়েও দিতে পারে। যে কারণে আমাদের চারিপাশের পরিবেশের তাপমাত্রা তখন কয়েক লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলে। ব্ল্যাক হোলের তাপমাত্রা থাকে আরও বেশি। তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সব উপাদান এবং কণা টেনে নিংড়ে নিয়ে বাষ্পে পরিণত করে।

জানা যায়, গ্যালাক্সি, নক্ষত্র এবং গ্রহগুলির মাঝের অংশে প্রায় মাইনাস ২৭০ ডিগ্রি মাত্রার চরম শীতল তাপমাত্রা বিরাজ করে থাকে। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম সংখ্যক এবং ধীর গতির কণাও রয়েছে। যে কারণে সেগুলির মধ্যে সংঘাতের ঘটনাও বিরল। তাছাড়া বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সম্প্রসারিত হয়ে চলেছে। এই সম্প্রসারণের কারণে কণাগুলির মধ্যেও দূরত্বও ক্রমেই বেড়ে চলেছে। দূরত্ব বাড়ার কারণে তাপমাত্রাও কমে চলেছে।

সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে আরও জানা যায়, ইউরোপের প্লাংক নামে স্যাটেলাইট কয়েক বছর পূর্বে সেই শীতল তাপমাত্রা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেছে। মহাকাশে ভাসমান টেলিস্কোপের সাহায্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সব তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বিকিরণ মাপতে এবং তা পরীক্ষা করতে পারেন। বিকিরণের উৎস এবং তার ঘনত্ব মেপে তাঁরা উৎসের তাপমাত্রা নির্ণয় করেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx