The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

কী কারণে বিষাক্ত সাপের কামড়েও মরে না ঘোড়া?

সাপের কামড়ে ঘোড়ার কোনো কিছু না হওয়ার বৈজ্ঞানিক কারণ জেনে নিন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা হয়তো অনেকেই জানি যে, সাপের কামড়েও ঘোড়া মরে না। কিন্তু কী কারণে বিষাক্ত সাপের কামড়েও মরে না ঘোড়া? তা কী আমরা কখনও ভেবে দেখেছি? আজ আমরা এই বিষয়টি জানবো।

কী কারণে বিষাক্ত সাপের কামড়েও মরে না ঘোড়া? 1

আমরা জানি বেজিকে সাপ সবসময় ভয় করে। কারণ হলো বেজি এক ধরণের বিশেষ গাছের শেকড় খেয়ে সাপের উপর আক্রমণ করে। তাই বেজিকে সাপ ছোবল দিলেও সে মরে না বা তার কিছুই হয় না। তবে আশ্চর্য হলেও সত্য যে বেজির মতো ঘোড়াও সাপের কামড়ে মারা যায় না, অর্থাৎ বিষাক্ত সাপের কামড়েও ঘোড়ার কিছুই হয় না। এর কারণ কী? আজ এই বিষয়টি আমরা জানবো।

সাপের কামড়ে ঘোড়ার কোনো কিছু না হওয়ার বৈজ্ঞানিক কারণ হলো, সাপের ছোবলে ঘোড়ার শরীরে তৈরি হয় এক ধরনের বিষ প্রতিরোধী এন্টি ভ্যানম।

আর তাই দীর্ঘদিন ধরেই সাপের বিষ হতে মানুষকে রক্ষার ক্ষেত্রে বিষ প্রতিষেধক তৈরি করা হয়ে থাকে ঘোড়ার রক্তের সিরাম দিয়ে। দেখা যায় যে, একটি ঘোড়াকে যদি কখনও সাপ ছোবল মারে তবে ঘোড়ার এতে কিছুই হয় না। সাধারণত দেখা যায় যে, খুব বেশি বিষাক্ত সাপের ছোবলে ঘোড়া দুই এক দিন একটু দুর্বল হয়ে থাকে। কিন্তু মারাও যায় না বা তেমন কোনো ক্ষতিই হয় না।

কেনো এমন হয়? ঘোড়াকে সাপ ছোবল দিলে ঘোড়ার শরীরে তৈরি হয় বিশেষ এক ধরনের বিষ প্রতিরোধী এন্টি ভ্যানম। এই এন্টি ভ্যানমই সাপের বিষের কার্যকারিতা পুরোপুরিভাবে নষ্ট করে দিতে কাজ করে। যে কারণে ঘোড়ার শরীরে তৈরি হওয়া এই এন্টি ভ্যানম মানুষকে যদি সাপে ছোবল দেয় তবে প্রতিষেধক হিসেবেও এটি কাজ করে।

জানা যায়, মূলত সাপের বিষ প্রতিরোধে তৈরি হওয়া এন্টি ভ্যানম যা মানুষকে সাপে কামড় দিলে প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তা তৈরি করতে সমগ্র বিশ্বজুড়েই রয়েছে অসংখ্য সাপের বিষ প্রতিষেধক তৈরি করার এন্টি ভ্যানম কোম্পানি। এদের মূল কাজই হলো ঘোড়ার শরীরে সাপের বিষ প্রয়োগ ও পরবর্তীতে ঘোড়ার শরীরে তৈরি হওয়া এন্টি ভ্যানম হতে মানুষের জন্য সাপের ছোবলের বিষ প্রতিরোধী ভ্যাক্সিন তৈরি করা।

জানা গেছে যে, ঘোড়ার শরীরে সাপের বিষ প্রয়োগ করলে দুই এক দিনের মধ্যেই ঘোড়ার রক্তে ওই বিষ বিনষ্টকারী ‘এন্টি ভ্যানম’ তৈরি হয়। এই সময় ভ্যাক্সিন তৈরিকারী কোম্পানিরা ওইসব ঘোড়া হতে রক্ত সংগ্রহ করে রক্তের লোহিত ও শ্বেত রক্ত কনিকা পৃথক করে শুধু সিরামটাই নেয়। এই সিরামই পরবর্তীতে আরও প্রক্রিয়াজাত হয়ে তৈরি করা হয় সাপের বিষ প্রতিরোধী এন্টি ভ্যাক্সিন। যা সারা বিশ্বের মানুষ সাপে কাটলে এর ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx