The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক কোটি টাকাসহ গ্রেফতার বিজেপি নেতার প্রাক্তন সহায়ক

রবিবার সন্ধ্যায় স্টেশনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে গৌতম এবং লক্ষ্মীকান্তকে আটক করা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এক কোটি টাকা-সহ আসানসোল স্টেশন হতে গ্রেফতার হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক গৌতম চট্টোপাধ্যায়। একই অভিযোগে দলের অপর এক কর্মী লক্ষ্মীকান্ত সাউওকেও গ্রেফতার করা হয়।

এক কোটি টাকাসহ গ্রেফতার বিজেপি নেতার প্রাক্তন সহায়ক 1

গত সোমবার দুপুরে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায়ের গাড়ি ও সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় টামটার গাড়ি আটকে তল্লাশি চালিয়েছে কোলকাতা পুলিশ। আপত্তিকর কিছু না মেলায় পর দু’জনের গাড়িই ছেড়ে দেওয়া হয়।

রেল পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় স্টেশনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে গৌতম এবং লক্ষ্মীকান্তকে আটক করা হয়। এতো টাকার বৈধ কোনও নথিপত্র দেখাতে না পেয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

রেল পুলিশের দাবি, ধৃতরা নিজেদের বিজেপি কর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন। হাওড়া ডিভিশনের রেল পুলিশের সুপার নীলাদ্রি চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘আমরা দু’জনকে ধরেছি। তাদের কাছে হিসাব বহির্ভূত টাকা পাওয়া গেছে। বিশদ জানতে জেরা করা হবে।’’

রেল পুলিশ সূত্রের খবর হলো, আটক গৌতমের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার শাসনে। লক্ষ্মীকান্ত নামে অপর এক ধৃত দক্ষিণ দিল্লির বাসিন্দা।

দিলীপবাবু অবশ্য বলেছেন, ‘‘গৌতম আগে আমার আপ্ত সহায়ক ছিল। তবে বেশ কিছু দিন ও ওই দায়িত্বে নেই। মাঝখানে ও আমার খড়্গপুরের কাজ দেখতো। তবে পরে ব্যবসা করবে বলে কখনও কাশ্মীর, কখনও আন্দামানে ঘুরছিল।

তিনি বলেন, টাকা নিয়ে ধরা পড়েছে বলে সংবাদমাধ্যম থেকে জানলাম। কীসের টাকা, ওর ব্যবসার টাকা কি না, কিছুই জানি না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। দলকে ফাঁসাতে এমন অনেক চক্রান্ত চলছে!’’

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ এ দিন সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আইনানুগ তদন্ত হোক। পুলিশই ওই টাকা ওদের ব্যাগে রেখেছিল কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হোক।’’

রেল পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ আসানসোল স্টেশনের ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দু’জন একটি নীল রঙের ব্যাগ নিয়ে এরা ঘোরাঘুরি করছিলেন। গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় রেল পুলিশের কর্মীরা তাদেরকে ধরেন। এ সময় ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই দেখা যায়, থরে-থরে সাজানো রয়েছে দু’হাজার ও পাঁচশো টাকার নোটগুলো।

রেল পুলিশের দাবি হলো, আটককৃতরা প্রথমে দাবি করেন যে, তারা ব্যবসার কাজে ওই টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে কোনও নথিপত্র দেখাতে পারেনি তারা। তখনই আয়কর দফতরে খবর দেওয়া হয়। তখন টাকা গোনার যন্ত্র আনা হয়। টাকা গোনার সময় ভিডিওগ্রাফি করা হয়।

Loading...