The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাংলাদেশের তলদেশে নাকি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্র!

যৌথ গবেষণায় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ খবরটি ছোট্ট কিন্তু খবরটির সারমর্ম সত্যিই বিষদ। কারণ হলো এমন একটি তথ্য যা সত্যিই বিস্ময়কর বটে। খবর বেরিয়েছে যে, বাংলাদেশের তলদেশে নাকি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্র! আসলেও কী তাই?

বাংলাদেশের তলদেশে নাকি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্র! 1

খবরটি ছোট্ট কিন্তু খবরটির সারমর্ম সত্যিই বিষদ। কারণ হলো এমন একটি তথ্য যা সত্যিই বিস্ময়কর বটে। খবর বেরিয়েছে যে, বাংলাদেশের তলদেশে নাকি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্র! আসলেও কী তাই?

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এমন একটি খবর এখন ছড়িয়ে গেছে সর্বত্র। আর এই খবরটি হলো বাংলাদেশের তলদেশে নাকি প্রাচীন কালের এক সমুদ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদের সেন্টার ফর আর্থ, ওসেন অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেয়ারিক সায়েন্সের অধ্যাপক কে এস কৃষ্ণ ও ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট অব ওসেনোগ্রাফির ডিএসটি ইন্সপায়ারের গবেষক ড. মোহাম্মদ ইসমাইলের যৌথ গবেষণায় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষকদের এই গবেষণার ফলাফল কারেন্ট সায়েন্স সাময়িকীর সাম্প্রতিক এক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি এই গবেষণায় মহাসাগরীয় পূর্ব বঙ্গোপসাগরের মহাদেশীয় ভাঙনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া এবং জ্যামিতিক চিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

ওই গবেষণা সূত্রে জানা যায় যে, সমুদ্র তলদেশের মাধ্যমে সামুদ্রিক শিলাগুলো কোলকাতা এবং উত্তরের রাজমহল-সিলেট, শিলং হতে উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রকৃতপক্ষে এগুলোই ছিলো বঙ্গোপসাগরের আদিশিলা। তবে এগুলো বিপুল পরিমাণে হিমালয় হতে বয়ে আসা গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে বয়ে আসা পলি ও অন্যান্য বর্জ্যের নিচে প্রকৃতপক্ষে চাপা পড়ে যায়। এই প্রক্রিয়াতেই বঙ্গোপসাগরের আদি অঞ্চল এবং একটি নতুন বিস্তৃত ভূখণ্ড গড়ে ওঠেছে। বর্তমানে এই অঞ্চলটি বাংলাদেশের ভূখন্ডেরই অর্ন্তভূক্ত। বৈশ্বিক মহাসাগরের একটি অংশ ঠিক এভাবেই পলিমাটির নিচে চাপা পড়ে যায় বা দ্বীপ হিসেবে টিকেও থাকে। তবে প্রথমবারের মতো আবিষ্কৃত বিস্তৃত ভূখণ্ডের নিচে সামুদ্রিক শিলার অবস্থান পৃথিবীর জন্য একটি অনন্য ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, বহু বছর ধরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসেনোগ্রাফিতে দেরাদুনের এবং এনজিসি ও হোস্টনের রাইস ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের গঠনাত্মক বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে আসছিলো। গবেষক দলের একটি অংশ ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদে চলে আসার পরও এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়। দীর্ঘদিন গবেষণার পর বেরিয়ে আসে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...