The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আবারও চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত!

আদিত্য এল১ সোলার মিশনের মাধ্যমে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ একবার বিফল হয়েছে তো কী হয়েছে? আবার চেষ্টা করে দেখতে হবে। একবার না পারিলে দেখো শতবার। সেই কথাটি প্রমাণ করার জন্য ভারত আবারও চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে!

আবারও চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত! 1

দিল্লী আইআইটির সমাবর্তনে শনিবার (২ নভেম্বর) ইসরো’র চেয়ারম্যান কে শিবন বলেছেন, ‘আপনারা সকলেই চন্দ্রযান ২ মিশন সম্পর্কে জানেন। টেকনোলজির দিক দিয়ে আমরা বলতে গেলে সফট ল্যান্ডিং করতে পারিনি। তবে সমস্ত সিস্টেম চন্দ্রপৃষ্ঠের ৩০০ মিটার উপর পর্যন্ত ঠিকঠাকই কাজও করেছে। এবার সব কিছু ঠিক করে করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পাওয়া গেছে’।

কে শিবন আরও বলেন, চন্দ্রযান ২-তেই আমাদের গল্প শেষ হচ্ছে না। আদিত্য এল১ সোলার মিশনের মাধ্যমে আমাদের মহাকাশে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কিছু আধুনিক প্রযুক্তির উপগ্রহ লঞ্চ করা হবে। এসএসএলভি আগামী ডিসেম্বর কিংবা আগামী বছর অর্থাৎ জানুয়ারিতে যাত্রা শুরু করবে।

উল্লেখ্য, এবছর ভারত চন্দ্রাভিযান -২ (বিক্রম) নামে একটি অভিযান পরিচালনা করে। যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। চাঁদের পৃষ্ঠ স্পর্শ করার পূর্বেই নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায ভারতের পাঠানো চন্দ্রযান–২। চূড়ান্ত অবতরণের আগে ওই রোবোটিক গবেষণা যানটি চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়তে পারে বলে সেই সময় ধারণা করা হয়।

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) পক্ষ হতে সেই সময় বলা হয়, একেবারে শেষ মুহূর্তে বিক্রম ল্যান্ডারের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণকক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জানা যায়, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এটি নামার কথা ছিল। বিক্রম ল্যান্ডারটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা ছিল যে, যাতে এর ৪টি রকেট কয়েকটি ধাপ সফলভাবে পার করতে পারে। ব্রেকিং রকেটগুলো এমনভাবে নকশা করা ছিল, যা বিক্রমের অনুভূমিক বেগ ঘণ্টায় ৩৬০০ মাইল হতে অবতরণের প্রস্তুতির সময় শূন্যে নামিয়ে আনতে পারে। চন্দ্রপৃষ্ঠের ৭ দশমিক ৪ কিলোমিটারের মধ্যে এসে বিক্রম ল্যান্ডার কঠিন ব্রেক পর্যায় পার করে ফেলার কথাও ছিলো। এরপর বিক্রম লেজার ব্যবহার করে পৃষ্ঠের অবতরণস্থল শনাক্ত করার করার কাজটি করতে সক্ষমও ছিল। এরপর ৪০০ মিটারের কাছাকাছি নেমে ৪টি স্ট্যান্ডবিশিষ্ট এই যানটি এর ল্যান্ডিং সেন্সর কাজে লাগিয়ে সমতল জায়গা খুঁজে সেখানে নামার কথা ছিলো। ১৩ মিটার ওপরে থাকতে একটি সেন্টার ইঞ্জিন এটিকে নিয়ন্ত্রণ শুরু করবে এমন কথা ছিলো। তবে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার আগেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...