The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ইউটিউবের নতুন নীতিতে বন্ধ হতে পারে অনেক চ্যানেল

কনটেন্ট যদি অর্থ আয়ের উপযোগী না হয়, তাহলে পুরো চ্যানেল বন্ধ করে দিতে পারে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন নীতিমালা করতে চলেছে ইউটিউব। যাতে বলা হয়েছে, কনটেন্ট যদি অর্থ আয়ের উপযোগী না হয়, তাহলে পুরো চ্যানেল বন্ধ করে দিতে পারে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ।

ইউটিউবের নতুন নীতিতে বন্ধ হতে পারে অনেক চ্যানেল 1

কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন নীতিমালা করতে চলেছে ইউটিউব। যাতে বলা হয়েছে, কনটেন্ট যদি অর্থ আয়ের উপযোগী না হয়, তাহলে পুরো চ্যানেল বন্ধ করে দিতে পারে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ।

তবে এই নীতির কারণে অনেক ভূঁইফোড় চ্যানেল যেমন বন্ধ হবে, ঠিক তেমনি অনেক ভালো চ্যানেলও বন্ধের খড়কে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নতুন এই নীতিমালাটি কার্যকর হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর।

জানা যায়, ‘অ্যাকাউন্ট সাসপেনশন অ্যান্ড টার্মিনেশন’ বিভাগে নতুন শর্ত যুক্ত করে ইউটিউব বলেছে যে, চ্যানেলের কনটেন্ট বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক মনে না হলে ইউটিউব কিংবা গুগল অ্যাকাউন্টের অংশ বিশেষ অথবা পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারবে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ। গত সপ্তাহ হতে এই নতুন নীতিমালা বিষয়ে নোটিফিকেশন দেখাতেও শুরু করেছে। ইউটিউব তাদের নতুন নীতিমালা ও স্বচ্ছ এবং সহজবোধ্য করেছে বলে একটি মেইল পাঠিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, ইউটিউবের নতুন নীতিমালার অর্থই হচ্ছে, ব্যবহারকারীর কনটেন্ট হতে যদি তারা অর্থ আয় করতে পারেন, তবে কনটেন্ট নির্মাতাকে তারা গুরুত্ব দেবেন, তা না হলে চ্যানেল বন্ধ করে দেবেন।

নতুন নীতিমালার বিষয়টি অবগত হয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল বলেছে যে, অ্যাকাউন্ট বন্ধের শর্তটি ইউটিউবার এবং ব্যবহারকারীদের কাছে মোটেও স্পষ্ট নয়। শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নাকি সব ইউটিউব অ্যাকাউন্টধারীদের জন্যও এই নিয়মটি প্রযোজ্য হবে, সেই সম্পর্কে তারা এখনও অন্ধকারে রয়েছেন।

যদিও ইউটিউবের নীতিমালায় পরিবর্তন এবারই প্রথম, তা নয়, ইতিপূর্বে নীতিমালার পরিবর্তন ঘটেছিল। ২০১৮ সালে মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছিলো ইউটিউব। সেইবার ইউটিউব হতে অর্থ আয়ের জন্য কঠোর নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়। এতে করে অনেক কনটেন্ট নির্মাতার অর্থ আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এবারও সেই আশঙ্কায় পড়েছেন কনটেন্ট নির্মাতারা।

সোশ্যাল মিডিয়ার অনেকেরই বক্তব্য হলো, ইউটিউব কর্তৃপক্ষ অর্থের দিকটিই বেশি বিবেচনায় নিয়েছেন, তবে মানের ওপর গুরুত্ব দিলেই মনে হয় বেশি ভালো হতো। তাতে করে সমাজও বেশি উপকৃত হতো এবং এই মাধ্যমটি বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারতো মানুষের মাঝে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...