The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সন্দেহ করোনা: বিরল উপসর্গ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তিন শিশুর মৃত্যু!

শনিবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো জানিয়েছেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বিরল প্রদাহজনিত উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩টি শিশু। ধারণা করা হচ্ছে যে, এর সঙ্গে নভেল করোনা ভাইরাসের যোগসূত্র থাকতে পারে।

সন্দেহ করোনা: বিরল উপসর্গ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তিন শিশুর মৃত্যু! 1ফাইল ফটো

শনিবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো জানিয়েছেন, তিনি সাম্প্রতিক সময় টক্সিক শক ও কাওয়াসাকি রোগের উপসর্গের মতো লক্ষণ বেড়ে যাওয়া নিয়ে সবাই চিন্তিত। এর মধ্যে রয়েছে রক্তনালীতে প্রদাহ, চামড়ায় র‌্যাশ, গ্রন্থি ফুলে ওঠা, গুরুতর অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্ষতির মতো উপসর্গগুলোও রয়েছে।

গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো আরও জানান, গত শুক্রবার নিউইয়র্কে ৩টি শিশু এই ধরনের লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে। এর মধ্যে ৫ বছরের একটি শিশু রয়েছে যে কি না করোনা পজিটিভও শনাক্ত হয়েছিল।

নিউইয়র্কের গভর্নর জানিয়েছেন যে, তার অঙ্গরাজ্যে আরও ৭৩ জন একই ধরনের উপসর্গযুক্ত রোগীকে পর্যবেক্ষণ করছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তবে এসব লক্ষণ করোনা সংক্রমণের কারণেই হয়েছে কি না তা এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত নয়।

এক্ষেত্রে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এতোদিন শিশুদের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে যে কম ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়ে আসছিল, সেটি হয়তো আর না-ও হতে পারে। অর্থাৎ শিশুদের মধ্যেও ব্যাপক হারে এই ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো বলেন, ‘আমরা এই বিষয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নই। শিশুদের মধ্যে কাওয়াসাকি রোগ কিংবা টক্সিক শকের মতো উপসর্গও দেখা যাচ্ছে। এটা খুবই সম্ভব যে তারা কয়েক সপ্তাহ ধরেই এসব উপসর্গে ভুগছেন এবং এখনও করোনা আক্রান্ত হিসেবে তারা চিহ্নিত হয়নি।’

কুয়োমো জানান, এসব উপসর্গের কোনও ধরনের জিনগত ভিত্তি রয়েছে কি না তা পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিউইয়র্ক জিনোম সেন্টার এবং রকফেলার ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এসব লক্ষণ চিহ্নিতকরণ এবং চিকিৎসার জন্য একটি মানদণ্ড নির্ধারণও করতে বলেছে রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...