The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

জয়া আহসানও পড়েছেন ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলের কবলে!

করোনা ভাইরাসের কারণে এমনিতেই স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো দেশ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভুতুরে বিদ্যুৎ বিলের কথা গত কিছুদিন যাবত শোনা যাচ্ছে। করোনার এই মহামারিতে মানুষের যখন দুর্দশা চরমে তখন এমন বিদ্যুৎ বিল ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’। এবার ওই ভুতুরে বিদ্যুৎ বিলের কবলে পড়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান।

জয়া আহসানও পড়েছেন ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলের কবলে! 1

করোনা ভাইরাসের কারণে এমনিতেই স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো দেশ। অনিশ্চয়তার মধ্যে পতিত হয়েছে মানুষের জীবন। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে রয়েছে অনেকের। এমন পরিস্থিতিতেও অনেকের বাসায় অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসায় পড়েছেন বিপাকে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে প্রতিমাসে আবাসিক একটি বাড়ির সাধারণত যে বিদ্যুৎ বিল আসে, তা চলতি মাসে এক বছরের বিদ্যুৎ বিলের সমান প্রায়। শুধু শহরেই নয়। গ্রামেও এই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

ভূতুরে এমন বিদ্যুৎ বিলের কবলে পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও। জয়া আহসানের এবার বিদ্যুৎ বিল নাকি এসেছে ২৮ হাজার ৫ শত টাকা! যা দেখে রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে জয়া আহসান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তাতে তিনি লিখেছেন, বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা! কীভাবে এটি সম্ভব! আজকে ছিলো লাস্ট ডেট বিল দেওয়ার।

বিষয়টি নিয়ে জয়া আহসান জানিয়েছেন, এর আগেও ১৬ হাজার টাকা বিল এসেছিলো। আগে নরমাল বিল আসতো ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। এবার এতো বেশি আসছে কেনো তা বুঝতে পারছি না।

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে শুধু বাংলাদেশে তা নয়, ভারতীয় তারকারাও বিষয়টি নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। সম্প্রতি ‘থাপ্পড়’ খ্যাত অভিনেত্রী তাপসী পান্নুও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেছেন। তার অভিযোগ হলো, গত মাসে কোনো বিদ্যুৎ খরচ না করেও তার ফাঁকা বাসায় এক মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩৬ হাজার টাকা! এপ্রিল মাসে ছিলো ৪৩৯০ টাকা, মে মাসে ৩৮৫০ টাকা।

অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, করোনোর কারণে যেনো সব কিছুই পাল্টে যাচ্ছে। তবে সেই পাল্টানোর মধ্যে যদি মানুষের জীবন যাপনের ওপর প্রভাব পড়ে তাহলেই সমস্যা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...