The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনার চেয়ে আরও বড় সংকট আসছে: বিল গেটস

বিল গেটসের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার করোনা ভাইরাসকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে তাদের উচিত করোনার মতোই জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস সারাবিশ্বে এক ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেছেন, করোনার চেয়েও আরও বড় সংকট হয়তো সামনে আসছে।

করোনার চেয়ে আরও বড় সংকট আসছে: বিল গেটস 1

বিল গেটসের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার করোনা ভাইরাসকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে তাদের উচিত করোনার মতোই জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া।

তিনি বিভিন্ন দেশকে সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি এখনই এই বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তবে এর প্রভাব হবে আরও অনেক ধ্বংসাত্মক। সম্প্রতি এক ব্লগ পোস্টে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জরুরি বিষয়গুলো তুলে ধরেন বিল গেটস।

ওই ব্লগ পোস্টে বিল গেটস আরও বলেন, করোনা ভাইরাসে প্রতি লাখে মৃত্যুহার হলো ১৪। তবে এই শতকের শেষে যদি বর্তমান সময় যে হারে কার্বন নির্গমন হচ্ছে সেই হারেই এটি চলতে থাকে তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণেই প্রতি লাখে অতিরিক্ত আরও ৭৩ জনের মৃত্যু ঘটতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, করোনা মহামারি ভয়ংকর তবেজলবায়ু পরিবর্তন এর চেয়েও আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কী ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে তা বুঝতে কোভিড ১৯-এর প্রকোপ ছড়িয়ে পড়া ও দীর্ঘ সময় ধরে মানুষকে যে ভুগতে হচ্ছে সেই বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেছেন বিল গেটস।

এই মহামারিতে শুধু মানুষের প্রাণহাণি ঘটছে তাই নয়, বরং বিভিন্ন দেশে আর্থিক দুর্দশাও লক্ষ করা গেছে। বিল গেটস বলেন, এখনই যদি আমরা কার্বন নির্গমনের মাত্রা কমাতে না পারি তাহলে এই দুর্দশা আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠবে।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, আগামী দুই দশকের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি এতোটাই খারাপ হয়ে উঠতে পারে, প্রতি দশকেই একবার করে কোভিড-১৯ মহামারি ঘটার মতো বিষয় হয়ে উঠবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...