The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ঐতিহাসিক জোড় বাংলা মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২০ খৃস্টাব্দ, ৬ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১ মহররম ১৪৪২ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

ঐতিহাসিক জোড় বাংলা মসজিদ 1

ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে এক গম্বুজ বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন জোড় বাংলা মসজিদ বা জোড়া ঢিবি মসজিদ নামে পরিচিত।

এই মসজিদের কারুকার্য এবং স্থাপত্যশিল্প মুসলিম সভ্যতা ও উৎকর্ষতার এক অন্যতম নিদর্শন হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। ধারণা করা হয় যে, ৮০০ হিজরি সালে আলাউদ্দিন হুসাইন শাহের পুত্র শাহ সুলতান মাহমুদ জোড় বাংলা মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। বহু বছর পূর্বে এই স্থানে থাকা এক জোড়া কুঁড়ে ঘর কিংবা জোড়া দীঘির কারণেই মসজিদের এমন একটি নামকরণ করা হয়েছে।

প্রায় ১১ ফুট উঁচু ভিতের উপর ছোট ছোট পাতলা ইটের গাঁথুনিতে বর্গাকৃতির এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদের পূর্ব পাশে ৩টি খিলান সংযুক্ত প্রবেশ পথ, চারকোণায় ৮ কোণ বিশিষ্ট ৪টি কারুকার্যমণ্ডিত বুরুজ ও পশ্চিম দিকের দেওয়ালে অর্ধবৃত্তাকার পোড়ামাটির নকশাকৃত ৩টি মেহরাব রয়েছে।

এই মসজিদের কেন্দ্রীয় মেহরাব তথা পশ্চিম দিকের দেওয়ালের ফুল-পাতার কারুকাজ অত্যন্ত আকর্ষণীয়। জোড় বাংলা মসজিদের সঙ্গে ডুমুরিয়ার সারসনগর, অভয়নগরের শুভারাদা মসজিদ এবং বাগেরহাটের বিবি কেরানী মসজিদের নির্মাণ শৈলীর সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

জোড় বাংলা মসজিদের নিকটে কয়েকটি কবর এবং উত্তর দিকে সুলতান মাহমুদ শাহের শাসনামলে খননকৃত অন্ধপুকুর নামক একটি দিঘীও রয়েছে। মুসল্লীদের ওজু এবং পানীয় জলের প্রয়োজন মেটাতে পুকুরটি খনন করা হয়। নির্মাণের কয়েক বছর পরই জোড় বাংলা মসজিদ জঙ্গলে ঢাকা পড়ে গিয়েছিলো।

১৯৯২-৯৩ সালে বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খননের মাধ্যমে এই মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়। বর্তমানে মসজিদের বেশকিছু অংশ সংস্কার এবং পুনর্নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় মুসল্লীরা বর্তমানে এই মসজিদে নিয়মিত নামায আদায় করেন।

তথ্যসূত্র: https://vromonguide.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...