The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডিসকোভারীর ইতিহাস খুঁড়ে বের করা রিকের গল্প

ওই অনুষ্ঠানে দেখানো হয় কিভাবে ইতিহাসের নানা সামগ্রী মাটি খুঁড়ে বের করা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা অনেকেই দেখে থাকি ডিসকোভারীর ওই অনুষ্ঠানটি। যেখানে রিক বলেন, আমরা খুঁড়ে বের করে আনি অতিত ইতিহাস। আজ জানবো সেই রিকের ইতিহাস খুঁড়ে বের করার কথা।

ডিসকোভারীর ইতিহাস খুঁড়ে বের করা রিকের গল্প 1

আমরা অনেকেই দেখে থাকি ডিসকোভারীর ওই অনুষ্ঠানটি। যেখানে রিক বলেন, আমরা খুঁড়ে বের করে আনি অতিত ইতিহাস। আজ জানবো সেই রিকের কথা।

একটি পরিবার কিভাবে খুঁড়ে ইতিহাস বের করে আসে সেই কাহিনী প্রতিদিন দেখা যায় ডিসকোভারী চ্যানেলে। যারা বাংলায় এটি শুনতে চান তারা দেখতে পারেন। বেশ মজা পাওয়া যায় ওই অনুষ্ঠানটি দেখে। ইতিহাস সম্পর্কেও অনেক কিছু জানা যায়।

ওই অনুষ্ঠানে দেখানো হয় কিভাবে ইতিহাসের নানা সামগ্রী মাটি খুঁড়ে বের করা হয়। রিক ও তার পরিবার মিলে কিভাবে নানা রহস্যময় ইতিহাসের জিনিসপত্র উঠিয়ে আনেন।

ওই টিমে রয়েছে রিক ও তার স্ত্রী রিটা এবং তাদের দুই ছেলে নিক ও জি। চারজনের এই পরিবারটি প্রথমে ইতিহাস ঘেটে দেখেন কোথায় ইতিহাসের জিনিসপত্র পাওয়া যেতে পারে। তারপর তারা সেই জমির মালিককে রাজি করান। কখনও ২০ শতাংশ লাভ দেওয়ার কথা বলে। আবার কখনও ৩০ শতাংশ। উদ্ধারকৃত জিনিসগুলো বিক্রি করে যে অর্থ আসে তার থেকে জমির মালিককে তার প্রাপ্য অংশ দিয়ে বাকিটা তারা নিয়ে নেন। দেখা যায় তারা কখনও তিন হাজার ডলার আবার কখনও ৫ হাজার ডলার বা তার থেকেও অনেক বেশি দামে এইসব ইতিহাস খ্যাত জিনিসপত্র বিক্রি করেন।

ডিসকোভারীর ইতিহাস খুঁড়ে বের করা রিকের গল্প 2

তারা এগুলো উদ্ধার করতে নানা আধুনিক যন্ত্রও ব্যবহার করেন। সাধারণ মেটাল ডিপেক্টরসহ নানা আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকে তাদের কাছে। আবার অনেক সময় বড় বড় যন্ত্র তারা ভাড়াও করেন। তবে তাদের উদ্ধারের প্রক্রিয়াটি থাকে অত্যন্ত সুচারু। কোনো জিনিস যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য তারা ধৈর্য্যসহকারে এসব জিনিসপত্র মাটি থেকে খুঁড়ে বের করেন।

রিক মূলত একজন বডি বিল্ডার ছিলেন। ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর একজন বডি বিল্ডার ছিলেন রিক। তবে সেই পেশা ছেড়ে দিয়ে এখন ইতিহাসের জিনিসপত্র মাটি খুঁজে বের করার কাজেই ব্যস্ত সময় পার করেন।

প্রথমে তারা ইতিহাস ঘেটে দেখেন কোন জমিনে এই ধরনের সামগ্রী তারা পেতে পারেন। তারপর ওই জমির মালিককে রাজি করিয়ে বৈধ উপায়ে এই কাজটি তারা করেন।

এখানে রিকের এই শোটি দেখে বেশ কয়েকটি বিষয়ে দর্শকদের লাভ হয়। একটি হলো ইতিহাস জানা যায়। ইতিহাসের হারিয়ে যাওয়া অনেক বন্তু দেখা যায়। তাছাড়া ধৈর্য ধরে খুব সাধারণ একটি কাজের মাধ্যমে কতো অর্থ উপার্জন করা যায় সেটিও দেখা যায় এই সিরিজ থেকে। রিকের পরিবার যখন পুরোনো কোনো দামি মূর্ত্তি বা কোনো সামগ্রী উদ্ধার করেন তখন রিক চেচিয়ে ওঠেন…. পেয়েছি… আমরা পেয়ে গেছি……..। তখন টিভি সেটের সামনে উপস্থিত দর্শকরাও বেশ উৎফুল্ল হয়ে পড়েন।

ডিসকোভারীর ইতিহাস খুঁড়ে বের করা রিকের গল্প 3

আমেরিকান ডিগার আবিষ্কারের নেটওয়ার্কগুলিতে প্রচারিত একটি আমেরিকান রিয়েলিটি টেলিভিশন সিরিজ (Savage Family Diggers) এটি। এই শোতে প্রাক্তন পেশাদার রেসলার ফ্র্যাঙ্ক হিউগলেট (ওরফে রিক স্যাভেজ) ও তার সংস্থা আমেরিকান স্যাভেজকে অনুসরণ করা হয়েছে। তারা ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুসন্ধান করে থাকেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...