The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

অশরীরী আত্মারা পৃথিবীতে কী আসলেও ঘুরে বেড়ায়?

তর্কে না গিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক লৌকিক পৃথিবীতে অলৌকিক কিছু ‘সত্য’ ঘটনা সম্পর্কে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অশরীরী আত্মা নিয়ে অনেক কথা শোনা যায়। কেও কেও এর পক্ষে বলেন। আবার কেও কেও বলেন অশরীরী আত্মা বলে কিছুই নেই। তাহলে অশরীরী আত্মারা পৃথিবীতে কী আসলেও ঘুরে বেড়ায়?

আত্মা কিংবা অতৃপ্ত আত্মা রয়েছে কি নেই, সে তর্কে না গিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক লৌকিক পৃথিবীতে অলৌকিক কিছু ‘সত্য’ ঘটনা সম্পর্কে।

চার্লস ডিকেন্স যখন কথা বলেছিলেন কবর হতে!

চার্লস ডিকেন্স যখন মারা যান সেই সময় তার বয়স ছিল ৫৮ বছর। মারা যাওয়ার আগে তিনি The Mystery of Edwin Drood নামে একটি রহস্যোপন্যাস লিখা শুরু করেন, যেটা এক সময় রয়ে গিয়েছিল অসমাপ্ত। তার মৃত্যুর পর তার ৫ ছেলেসহ অনেকেই চেষ্টা করেন উপন্যাসটি শেষ করার জন্য, তবে ব্যর্থ হন। ১৮৭৩ সালে এই উপন্যাসের সবচেয়ে বীভৎস সংস্করণ প্রকাশিত হয়। থমাস জেমস নামে একজন লেখক দাবি করেছেন যে, খোদ চার্লস ডিকেন্সের আত্মা কবর হতে উঠে এসে তার দেহে ভর করেন এবং এই উপন্যাসটি শেষ করেন!

এর প্রমাণ হিসেবে জেমস নিজের হাতে লেখা গল্পের পান্ডুলিপও দেখান। সেখানে যে হাতের লেখা ছিল তার সঙ্গে জেমস বা ডিকেন্স কারও হাতের লেখার মিলই ছিল না। বইটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাড়া পড়ে যায়। অনেকেই জেমসকে ধাপ্পাবাজ বললেও অনেক বিখ্যাত লেখক যেমন শার্লক হোমস সিরিজ রচয়িতা স্যার আর্থার কণ্যান দয়েল জেমসকে সমর্থনও করেন। অত্যন্ত অদ্ভুতভাবে এই বইটির পর জেমস আর কোনো বইই লিখতে সক্ষম হননি!

খাঁচাবন্দী রয়েছে পিশাচ!

আমেরিকার পেসিলভিনিয়ার ক্যাটাউইসার পুরনো মাউন্ট জায়ান্ট সমাধিক্ষেত্রে গেলে একটি বিচিত্র দৃশ্য নাকি দেখা যাবে। এক জোড়া কবরকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে সুরক্ষিত খাঁচা দিয়ে। ওই দুটি কবর ছিল দুইজন মহিলার, যারা ১৮৫২ সালে মারা গিয়েছিলেন তারা। এখানে তৃতীয় আরেকজন নারীর কবরও ছিল, যার নাম রেবেকা ক্লেটন। রেবেকার কবর মেরামতের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ায় ১৯৩০ সালে সেটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ওই তিনজন নারীই ছিলেন নিকটাত্মীয়, বিয়ের অল্প কিছুদিন পরেই নাকি তিনজনই মারা যান। কেনো তাদের কবরকে খাঁচায় আবদ্ধ করা হয়েছিল জানেন? অনেকেই বলেন যে, সেই রসময় এরা কলেরায় ভুগে মারা যান। পানিবাহিত এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে যায় বলে এদেরকে পৃথকভাবে কবর দেওয়া হয়েছিল। তবে সেক্ষেত্রে খাঁচা কেনো দিতে হবে, কবর দেওয়াই কি যথেষ্ঠ ছিলো না? বিকল্প বক্তব্য হলো, এই তিনজন নারীই নাকি ছিলেন ভ্যাম্পায়ার, যারা রাতের বেলায় কবর হতে উঠে এসে জীবিত মানুষদের নাকি রক্ত পান করতেন!

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ভবনে বিদেহী আত্মা!

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ভবন হোয়াইট হাউস নিয়ে অনেক অনেক অদ্ভুতুড়ে ঘটনার কথা শোনা যায়। তবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ভবন ‘কোটেই’ও সম্ভবত অশরীরী আত্মায় নাকি গিজগিজ করছে! ১৯২৯ সালে এই ভবনটি নির্মিত হয়েছিলো। তখন থেকেই এখানে বসবাসকারী জাপানের প্রধানমন্ত্রী এবং ফার্স্ট লেডিরা এই বাড়িতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটনার অভিযোগ করে আসছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে এই বাড়িতে থাকতে আপত্তিও জানান। যদিও তিনি বলেছেন, এতো বড় বাড়ি তার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে জাপানের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘আশাহি শিম্বুন’ জানায়, শিনজো আরেকজনকে বলছিলেন যে, কোটেইতে ভূত রয়েছে, সে কারণে তিনি সেখানে থাকতে চান না। এই বাড়িটির দীর্ঘ ইতিহাস হলো রক্তাক্ত।

সেই ১৯৩২ সালের ১৫ মের কথা। সেদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইনুকাই তয়ুশি নৌবাহিনী অফিসারদের হাতে খুন হন। এই ঘটনার চার বছর পর ২৮০ জন সেনা অফিসার এই ভবনের ফটক ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তুমুল গোলাগুলিতে চারজন পুলিস সদস্য নিহতও হন। দুর্ভাগ্যক্রমে চেহারায় মিল থাকার কারণে নতুন প্রধানমন্ত্রী কেইসুকি ওকাডার দুলাভাই নিহত হন, তবে ওকাডা পালিয়ে যান। সেই ঘটনাগুলোর এত বছর পরও এই ভবনের ক্ষত-বিক্ষত দেওয়াল সে বীভৎস ঘটনার সাক্ষ্যই বহন করে চলেছে। জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিরো মরি দাবি করেছেন যে, এখনও এই ভবনে অশরীরী সেনাদের দেখা পাওয়া যায়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...