The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

শাওমির রিমোট চার্জিং প্রযুক্তি পদ্ধতি ‘মি এয়ার চার্জ’ আসছে

প্রযুক্তিটি যখনই আসুক না কেনো, এর মূল্য সম্ভবত যথেষ্ট বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শাওমি এবার তারের সংযোগ বিহীন একাধিক ডিভাইস চার্জ করতে পারবে এমন ‘রিমোট চার্জিং প্রযুক্তি’ নিয়ে আসতে চলেছে।

শাওমির রিমোট চার্জিং প্রযুক্তি পদ্ধতি ‘মি এয়ার চার্জ’ আসছে 1

প্রতিষ্ঠানটি ‘মি এয়ার চার্জ’ দিয়ে ফোন ব্যবহারের সময়ও চার্জ করা সম্ভব হবে। এমনকি মি এয়ার চার্জ ব্যবহারের সময় ফোনের ব্যবহারকারী ঘরে হেঁটে বেড়ালেও তা চার্জ হবে।

জিএসএম আরিনা উল্লেখ করেছে যে, মি এয়ার চার্জ ব্যবহারের সময় ফোনের ব্যবহারকারী যদি ঘরে হেঁটে বেড়ান আবার মাঝখানে যদি কোনো প্রতিবন্ধকতাও থাকে, তাহলেও চার্জিং সিস্টেম বিঘ্নিত হবে না।

প্রযুক্তিটি ঠিক কীভাবে কাজ করবে, সেটি এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে শাওমি। মি এয়ার চার্জের ট্রান্সমিটারটি হিসেবে অনেকটা বড়। এটি এতোটাই বড় যে বসার ঘরে সোফার পাশে সাইড টেবিল হিসেবে রেখে দেওয়া যাবে অনায়াসে। সবমিলিয়ে তারবিহীনভাবে পাঁচ ওয়াট পর্যন্ত চার্জ সেবা দিতে পারবে এটি।

এই বিষয়ে শাওমি জানিয়েছে, এই ধরনের চার্জের সঙ্গে কিউআই মানের কোনো সম্পর্কই নেই। স্মার্টফোনে ‘বিল্ট-ইন বিকন অ্যান্টেনা সহ ছোট আকারের অ্যান্টেনা অ্যারে’ ও ‘রিসিভিং অ্যান্টেনা অ্যারে’ও থাকবে। চার্জিং ট্রান্সমিটার হতে আসা মিলিমিটারটির তরঙ্গ সংকেতকে বদলে নেবে স্মার্টফোনের ১৪টি অ্যান্টেনা। ‘রেক্টিফায়ার সার্কিটের’ মধ্যদিয়ে এই তরঙ্গটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে বদলে নেওয়া হবে।

বর্তমানে শাওমির প্রযুক্তিটি কয়েক মিটার পর্যন্ত একাধিক ডিভাইস চার্জ করতে সক্ষম। শাওমি জানিয়েছে যে, প্রতিবন্ধকতায় চার্জিং সক্ষমতা কমে যায় না, তবে এর জন্য কিছু সাবধানতার প্রয়োজন রয়েছে।

স্মার্টওয়াচ, ফিটনেস ব্যান্ড ও অন্যান্য পরিধেয় প্রযুক্তির সঙ্গে ‘মি এয়ার চার্জ’ কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেছে শাওমি।

প্রযুক্তিটি কবে নাগাদ আসবে, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। আদৌ এরকম প্রযুক্তি ভোক্তা বাজারে ঠাঁই পাবে কি না সেটি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে জিএসএম এরিনা। তবে প্রযুক্তিটি যখনই আসুক না কেনো, এর মূল্য সম্ভবত যথেষ্ট বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...