The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কয়েকটি হিউমার এক্সারসাইজ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আপনি জানেন কী? আপনার হাসির কারণ আপনি নিজেই তৈরি করতে পারেন। আপনার জীবনে নিয়ে আসতে পারেন উচ্ছলতার বন্যা। কিন্তু কীভাবে? ব্যবহার করুন হিউমার।

হিউমার বিজ্ঞানী উইলবাল্ড রুচ ও তার টিম এই বিষয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা পরিচালনা করেছেন। তার এই গবেষণাটি তুলে ধরেছেন মনোবিজ্ঞানী Ryan M. Niemiec Psy.D.। এই গবেষণায় তিনি দেখেন যে, হাস্যরসের চর্চা আমাদেরকে একজন ভালো মানুষে পরিণত করতে পারে, ডিপ্রেশনের উপরেও রয়েছে এর চমৎকার প্রভাব। মানুষের জীবনে হিউমারের প্রভাব বুঝতে তারা এলোমেলো ও পরিকল্পিত অনেকগুলো পরীক্ষানিরীক্ষাও করেন। কয়েকটি হিউমার এক্সারসাইজ তারা ১ সপাহের জন্য চর্চা করতে বলেন, মূলত যাদের উপর এই পরীক্ষা চলছিল-

মজার ঘটনা

আপনার আজকের দিনের ৩টি সবচেয়ে মজার অভিজ্ঞতা লিখুন। সেই সঙ্গে এটাও লিখুন, এই ঘটনাগুলো আপনার মাঝে কি ধরনের অনুভূতি তৈরি করেছিল।

গুণে দেখুন

প্রতিদিন ক’টি মজার ঘটনা ঘটছে তাও গুণে রাখুন। যতো ছোট ঘটনাই হোক না কেনো, তা যেনো আপনার তালিকা হতে বাদ না পড়ে। সেগুলো কীভাবে ঘটছে তা খেয়াল করুন। তারপর সংক্ষেপে লিখে রাখুন।

হাস্যরস প্রয়োগ

সারাদিনে হাস্যরস তৈরি করে এমন সব বিষয়গুলো খেয়াল করুন। বেশি করে কৌতুক পড়ুন। কমেডি ফিল্মও দেখুন। আপনার বন্ধুদের মাঝে যে খুব ভালো মজা করতে পারে অর্থাৎ কৌতুক বলতে পারে তার সঙ্গে কথা বলে বলুন। কমিকস-এর বই এবং খুব কাজে দেবে। আর ঠিক এভাবেই বাড়বে আপনার কৌতুক করার ক্ষমতা।

মজার বিষয় সংগ্রহ

আপনি আপনার জীবনের মজার মজার ঘটনাগুলো লিখুন। একসঙ্গে জড়ো করুন আপনার জীবনের আনন্দময় স্মৃতিগুলোকে। কোনো ঘটনায় যেনো হাসি থামছিলই না আপনার! কোনো কোনো স্মৃতি ছিল সুখের- একইসঙ্গে কৌতুকেরও! আপনি লিখে রাখুন সেগুলোও।

স্ট্রেস কমাতে

আপনার জীবনের সবচেয়ে স্ট্রেসফুল কোনো স্মৃতি মনে করুন। সেটি লিখুন এবং ভাবুন মজায় মজায় কিভাবে সেই স্ট্রেস কমানো সম্ভব!

এগুলোই আপনার জীবনকে হয়তো বদলে দিতে পারে। রুচের গবেষণার ফলাফল অন্তত তাই বলে। প্রথম ৩টি কাজ টানা ১ সপ্তাহ অনুশীলন করলে অন্তত ৬ মাস কিংবা তা আপনাকে স্ট্রেসফ্রি রাখবে। জীবনের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেবে। হয়তো একসময় আপনি পরিণত হবেন, হাসিখুশী ঝলমলে একজন মানুষরূপে।

আপনি একবার ভেবে দেখুন তো, উপরের কাজগুলোর মধ্রে কোনটা আপনার ভালো লেগেছে? আজ থেকেই সেটি চর্চা শুরু করুন আপনার নিজের জীবনে। অন্তত ১ সপ্তাহ প্রতিনিয়ত এই চর্চাটি চালিয়ে যান। দেখবেন কিভাবে আপনার চরিত্রকেই যেনো বদলে দেবে এই কাজগুলো। নিজের জীবনে নিজেই করুন এই ধরনের সুখের চাষাবাদ। শুধুমাত্র আপনার স্বদিচ্ছার প্রয়োজন। তাহলে আর থেমে থেকে লাভ কী? আজই লেগে পড়ুন!

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...