The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডায়েট চলাকালীন সময় কী প্রোটিন খাবেন?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা জানি প্রোটিন আমাদের দেহের জন্য কতটা দরকারি। অনেকেই ওজন কমাবার জন্য ডায়েট হতে প্রোটিন একেবারেই বাদ দিয়ে দেন। এই অভ্যাস শরীরের জন্যই মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

ডায়েট চলাকালীন সময় কী প্রোটিন খাবেন? 1

প্রোটিন যেমনিভাবে অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়, ঠিক তেমনি প্রোটিন না খাওয়াও একই রকমের ক্ষতিকর। তবে ডায়েট করে ওজন কমাবার সময় যদি আপনি প্রোটিন খাওয়া একেবারে বাদ দিয়ে দেন, তাহলে আপনার সৌন্দর্য যেমনিভাবে হারিয়ে যাবে। ঠিক তেমনি আপনি হয়ে পড়বেন দুর্বল-অসুস্থ, আবার ডায়েট ছেড়ে দিলেই তখন হু হু করে ওজন বাড়তে শুরু করবে। তাই ডায়েট চলাকালীন সময় অবশ্যই প্রোটিন খেতে হবে। তবে অবশ্যই সঠিক উপায়ে এবং সঠিক প্রোটিন।

প্রোটিনের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন:

# প্রোটিন আমাদের দেহের বৃদ্ধিতে বিশেষ সাহায্য করে।

# এটি অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করে।

# প্রোটিন ছাড়া মাংস পেশীর সংকোচন কখনও সম্ভব না।

# প্রোটিন ছাড়া এনজাইমও কাজ করতে পারে না।

# শরীরের এক অংশ হতে আরেক অংশে নিউট্রিয়েণ্ট পৌঁছানোর জন্য প্রোটিন খুবই দরকারি।

এখন প্রোটিনের উপকারিতা তো জানলেন, এবার জেনে নিন ডায়েট করার সময় কী ধরনের প্রোটিন আপনাকে খেতে হবে।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের অভাব নেই। সব ধরনের মাছ, মাংস, ডিম, ডাল এবং দুধে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। আমিষ জাতীয় খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, তবে তার সঙ্গে ফ্যাটের পরিমাণও অনেক বেশি থাকে, এতে ফাইবার থাকে না বললেই চলে। সে কারণে রেড মিট বেশি না খাওয়াই ভালো। সসেজ ও বিফও কম খান। কারণ হলো এতে প্রোটিন থাকলেও ফ্যাটের পরিমাণ থাকে অনেক বেশি , যা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বাকি সব খাবারই আপনি নিয়মিত খেতে পারেন। মনে রাখবেন যে, মুরগির মাংসের থেকে মাছ ও ডিমই বেশি ভালো। মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও থাকে। তবে মনে রাখতে হবে যে, আমিষ জাতীয় খাবার হজম করতে সময় একটু বেশি লাগে, তাই আমিষ এবং নিরামিষের ব্যালেন্স আপনাকে ঠিক রাখতে হবে। যতোটুকু আমিষ খাবেন তার চাইতে বেশি করে সবজি খাবেন, তাহলে আপনার হজমে সহায়তা হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...