The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কেনো সঠিকভাবে ঘুম হওয়া প্রয়োজন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সঠিকভাবে ঘুম না হলে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। একজন মানুষের প্রতিদিন ৬ হতে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

কেনো সঠিকভাবে ঘুম হওয়া প্রয়োজন 1

ন্যুনতম ৪ হতে সবচেয়ে বেশি ১০ ঘণ্টা ঘুম দরকার হয়। শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্যই নয়, সৌন্দর্যের জন্যও ঘুম প্রয়োজন। একটা সিস্টেম অ্যাকটিভও হয় ঘুম আসার জন্যই। মস্তিষ্কের র‌্যাকে নিউক্লিয়াস এবং লোকাস সেরুলিয়াস কেন্দ্র দুটির স্টিমুলেশনের কারণেই আমরা ঘুমিয়ে পড়ি।

র‌্যাকে নিউক্লিয়াস হতে সেরোটোনিন এবং নিউরো হরমোন নিঃসৃত হয়। অপরদিকে লোকাস সেরুলিয়াস কেন্দ্র হতে অ্যাড্রিনালিনের ক্ষরণ বাড়ায়। এছাড়াও অন্ধকারে পিনিয়াল বড়ি হতে মেলাটোনিন নামে একটি হরমোনও নিঃসৃত হয়। মানুষের ঘুম ও ঘুম হতে ওঠার জন্য রয়েছে সিরাকার্ডিয়ান ক্লক কিংবা বায়ো ক্লক। সারাদিন শরীরের যে পরিমাণ ক্ষয় হয় তা পূরণ করার দায়িত্বই হলো এই সিরাকার্ডিয়ান সাইকলের। ঘুমের মধ্যে গ্রোথ হরমোন নিঃসরিত হয়। গ্রোথ হরমোন ত্বক এবং চুলের কোষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। গ্রোথ হরমোনের প্রভাবে ত্বক এবং চুলের নতুন কোষের জন্মের হারও বৃদ্ধি পায়।

তবে ঘুম যদি কমে যায় বা একেবারেই না হয়, তাহলে গ্রোথ হরমোনের অভাবে ত্বক অনুজ্জ্বল হবে এবং চুল পড়বে। স্বাভাবিকভাবে যে চুল পড়তো আবার গজাতো কিন্তু ঘুম কমের কারণে চুল পড়ে যাওয়ার হার, চুর গজানোর হারের তুলনায় কম হয়ে থাকে। ঘুম কম হলেই মেলাটোনিন কম তৈরি হয় ও মেলাটোনিন তৈরি হয় টাইরোসিনের সহায়তায়। তাই মেলাটোনিন তৈরি কম হলে শরীরে টাইরোসিন জমতে থাকবে। যার ফলে টাইরোসিন মেলানিন পিগমেন্ট তৈরি করে ত্বকের রঙ কালো করে ফেলে। দেখা যায় ঘুম না হলে প্রথমে চোখের তলায় কালি পড়ে।

আবার দীর্ঘদিন ঘুম না হলে বা ঘুমের কমতি হলে ত্বকের রঙ কালচে হয়ে ওঠতে থাকে। ঘুমের মধ্যে সেবাশিয়াস গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ হয়। সেবাশিয়াস গ্ল্যান্ডের ক্ষরণের কারণে ত্বক এবং চুল উজ্জ্বল থাকে। তাই ঘুম কম হলে ত্বক এবং চুলের উজ্জ্বলতাও কমে যায়। ঘুমের মধ্যে মাসাল কিংবা মাংসপেশি রিলাকশেসন কিংবা শিথিল হয়। যে কারণে রক্ত সঞ্চালিত হয়ে শরীরের সব জায়গাতে পৌঁছে শরীরের ক্ষয় পূরণ হয়। তবে ঘুম কম হলে সেটি সম্ভব হয় না। যে কারণে শরীর ক্লান্ত হয় এবং সেই ছাপ পড়ে চেহারায়। ঘুম কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তিও কমে যেতে পারে। হাত-পা কাঁপতে পারে।

ঘুম কম হলে সৌন্দর্যহানির সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক এবং মানসিক বিপর্যয়ও ঘটে থাকে। ঘুম কেনো হচ্ছে না এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। শান্তভাবে ভাবুন শরীরিক কিংবা পারিপাশ্বর্শিক কোনো সমস্যার জন্য ঘুম হচ্ছে না। মানসিক কারণে ঘুমের ব্যাঘাতও ঘটতে পারে। এতে করে সৌন্দর্যহানি আরও বেশি ঘটে থাকে। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...