The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ই-মেইলের ব্যবহার সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দিনে দিনে মানুষকে যেনো অনেকটা রোবটিক করে তুলছে। আমরা প্রযুক্তি ছাড়া এখন আর কিছুই চিন্তা করতে পারি না। প্রযুক্তির একটি বড় সাফল্য ই-মেইল। এর ব্যবহার সম্পর্কে যে বিষয়গুলো আমাদের জানা জরুরি।

ই-মেইলের ব্যবহার সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি 1

আমাদের প্রযুক্তির উপর পুরোপুরিভাবে নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। এসব ব্যবহারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

আমরা আজ আলোচনা করবো ‘ই-মেইলের ক্ষেত্রে’ কি কি বিষয় আমাদের খেয়াল রাখতে হবে সে সম্পর্কে আমাদের জেনে নিতে হবে।

# ই-মেইল এড্রেস খুলুন সহজবোধ্য ও ফরমাল শব্দে, যাতে সহজেই মানুষ বুঝতে পারে।

# আপনার ই-মেইল একাউন্টের প্রোফাইল পিকচারে অন্যের ছবি/ প্রাকৃতিক দৃশ্য ব্যবহার করবেন না। ছবি দিতে হলে নিজের স্পষ্ট ছবিই ব্যবহার করুন।

# সাবজেক্ট লিখুন যে বিষয়ের ওপর মূল বক্তব্য লিখেছেন বা ফাইল এটাচ কিংবা আপলোড করেছেন সেটি নিয়ে।

# ভাষার বিকৃতি, ইমোজি, হাল ফ্যাশনের শব্দ ইত্যাদি পরিহার করুন।

# স্প্যাম/ জাংক/ অচেনা কারও ই-মেইলের জবাব দিতে অবশ্যই আপনাকে সতর্ক হতে হবে।

# ইংরেজি/ বাংলা/ অন্য যে ভাষাই ব্যবহার করুন না কনো, তা নির্ভুল করতে অবশ্য সচেষ্ট হোন। ভুল বানান এবং বাক্য গঠন ব্যক্তিত্বকে ম্লান করে দিতে পারে।

# শুধু প্রাতিষ্ঠানিকই নয়, ব্যক্তিগত ই-মেইলের শেষেও নিজের পরিচয় অবশ্যই উল্লেখ করুন।

# অফিসের কাজে ব্যক্তিগত ই-মেইল এড্রেস ব্যবহার না করাই উত্তম।

# ফরমাল ই-মেইল করার সময় অপ্রচলিত/ বিশেষ ধরনের শব্দ/ ফন্টে লেখা ও চ্যাটিং-এ ব্যবহৃত হয় এমন শব্দ অবশ্যই বর্জন করুন।

# উৎসবে/ পার্বণে একই মেসেজ গণহারে ব্যবহার না করে; শুভেচ্ছা বার্তা প্রত্যেকের জন্যে পৃথকভাবে লেখার সময় এবং সুযোগ পেলে তবেই পাঠান।

# গোপনীয় মেইলের ক্ষেত্রে কাকে কতটুকু পাঠাচ্ছেন তা আপনাকে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে এবং সাবজেক্ট লাইনে ‘গোপনীয়’ কিংবা ‘কনফিডেনশিয়াল’ শব্দটি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

# কাজ শেষ হয়ে গেলে অবশ্যই ই-মেইল একাউন্ট লগ-আউট করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...