The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সৌদি যুবরাজ ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্ব চান!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মধ্যপ্রাচ্যের দুই চিরবৈরী দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরব ও ইরান। তবে সেই বরফ এবার গলতে শুরু করেছে। সম্পর্ক ঠিক করার লক্ষ্যে সম্প্রতি দেশ দুটি গোপনে বৈঠকও নাকি করেছে। সৌদি যুবরাজ ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্ব চান!

সৌদি যুবরাজ ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্ব চান! 1

আলজাজিরার এক খবরে বলা হয়েছে, এবার সৌদির নেতা এবং ক্রাউন প্রিন্স যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের সঙ্গে তিনি ভালো সম্পর্ক করতে চান।

সৌদি আরব সুন্নি মুসলিমপ্রধান দেশ। অপরদিকে শিয়া মুসলিমপ্রধান দেশ হলো ইরান। ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়ে শুরু হতেই উভয় দেশের মধ্যে একটা বিরোধ বিদ্যমান রয়েছে। আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে দীর্ঘদিন ধরেই দেশ দুটি তীব্র বিরোধে জড়িত।

সৌদিতে এক শিয়া ধর্মগুরুর ফাঁসির প্রতিবাদে ২০১৬ সালে সৌদি দূতাবাসে হামলার পরই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। ইয়েমেনসহ বেশ কয়েকটি দেশে বিপরীত পক্ষের হয়ে লড়াই ছাড়াও সৌদিতে ইরান সমর্থিত হুথিদের হামলায় তা বর্তমানে খাদের কিনারে।

গত মঙ্গলবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতাধর দেশ সৌদির নেতা মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, ‘ইরান আমাদের প্রতিবেশী একটি দেশ। তাদের সঙ্গে আমরা সকলেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আশা করি।’ তবে এই সময় ইরানের নেতিবাচক আচরণের কথাও বলেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হোক তা আমরা কখনই চাই না। বরং আমরা চাই ইরানের উন্নতি এবং সমৃদ্ধি হোক। ইরানে আমাদের স্বার্থ যেমন রয়েছে ঠিক তেমনি সৌদিতে তাদের স্বার্থ্যও রয়েছে। সম্পর্ক ঠিক থাকলে যা এই অঞ্চল এবং বিশ্বকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নেবে।’

কিন্তু ২০১৭ সালে বিতর্কিতভাবে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স হওয়ার পর প্রিন্স মোহাম্মদ যে মন্তব্য করেছিলেন তার গতকালের মন্তব্য সেটার সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক। তখন তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিতে ‘মধ্যপ্রাচ্যের নয়া হিটলার’ বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, একাধিকবার ইরানের কড়া সমালোচনা করা সৌদি যুবরাজ সম্প্রতি তেহরান নিয়ে তার মনোভাব বেশ পরিবর্তন করেছেন। সর্বশেষ সাক্ষাৎকারটি যার একটি উদাহরণ। তবে এপ্রিলের শুরুতে বাগদাদে তেহরানের সঙ্গে সৌদির কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, তা নিয়ে অবশ্য তেমন কিছুই তিনি জানাননি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...