The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত হচ্ছে মিয়ানমার!

Anti-coup protestors run from teargas and charging riot police and soldiers in Mandalay, Myanmar, Wednesday, March 3, 2021. Demonstrators in Myanmar took to the streets again on Wednesday to protest last month’s seizure of power by the military, as dispute over who is recognized as Myanmar’s ambassador, the representative of the generals who carried out the Feb. 1 coup or of the ousted democratically elected government is under discussion and could end up in the General Assembly, where all 193 U.N. members have seats. (AP Photo)

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা মহামারি শুরুর পর হতেই লড়াই করে আসছে মিয়ানমার। এই লড়াইয়ে দেশটির অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটে। আবার এর মধ্যে গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতার দখল করে। যে কারণে এক‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত হচ্ছে মিয়ানমার!

এক ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত হচ্ছে মিয়ানমার! 1

সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের পর থেকে গণতন্ত্র ফেরানো এবং জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার। প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে মৃত্যু। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই জান্তা প্রশাসনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

সিএনএন এক তথ্যে বলেছে, করোনা মহামারির প্রভাবে মিয়ানমারের অর্থনীতি একেবারেই ভাঙা পায়ে হাঁটছিল। তারপর সেনা অভ্যুত্থানের পর রক্তাক্ত পরিস্থিতিতে অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবেই ভেঙে পড়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে পরিস্থিতির কোনো উন্নয়ন না ঘটলে, দেশটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’র দিকে ধাবিত হবে। আর এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে সম্প্রতি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে। বিশ্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি সতর্ক করেছে এই বলে যে, করোনা মহামারি এবং সেনা অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটের প্রভাবে এই বছরের শেষ নাগাদ মিয়ানমারের অর্ধেক জনগোষ্ঠী দারিদ্র্যের কবলে পড়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বর্তমানে মিয়ানমারে খাদ্যসামগ্রীর দামও বেড়ে গেছে। সুনির্দিষ্টভাবে আয় এবং মজুরিও কমেছে। দিনে গড় আয় ১ দশমিক ১০ ডলারে নেমে আসার কারনে ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষার মতো মৌলিক সেবা হতে লাখ লাখ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। এই সংকটে পড়েছে সবচেয়ে ভুক্তভোগী নারী এবং শিশুরা। দ্রুত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক দুরাবস্থা হতে বেরিয়ে আসতে না পারলে এ বছরের মধ্যেই দেশটির প্রায় আড়াই কোটি কিংবা ৪৮ শতাংশ মানুষই দারিদ্র্যের মুখে পড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের শেষ নাগাদ করোনা মহামারির কারণে মিয়ানমারে গড়ে ৮৩ শতাংশ বাড়িতে পারিবারিক আয় প্রায় অর্ধেক কমে এসেছে। মহামারির আর্থ-সামাজিক প্রভাবের কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করা মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। এই রকম একটা অবস্থায় সামরিক অভ্যুত্থানের পর অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চরম হুমকির মুখে পড়া মানবাধিকার ও উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে দারিদ্র্যের হার আগামী বছর নাগাদ আরও ১২ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১১ সালে গণতান্ত্রিক শাসনে ফেরার পর মিয়ানমারের দারিদ্র্য পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছিলো। রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে ২০০৫ সালে যেখানে ৪৮ দশমিক ২ শতাংশই দরিদ্র ছিল, সেটি কমে গিয়ে ২০১৭ সালে হয় ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। দেশটিতে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে মারা গেছে অন্তত ৮০০ মানুষ। আর গ্রেফতার হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...