The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

যেসব খাবার অ্যালার্জির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অ্যালার্জি মানেই একটি বাড়তি যন্ত্রণা! চুলকাতে চুলকাতে নিমেষে ত্বকের ওপর লালচে র‍্যাশ উঠে প্রাণ ওষ্ঠাগত অবস্থায় পৌঁছে যায়। আজ জেনে নিন যেসব খাবার অ্যালার্জির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

যেসব খাবার অ্যালার্জির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে 1

এক এক জনের অ্যালার্জি সমস্যা এক এক রকম হয়ে থাকে। অনেকেরই অ্যালার্জি বেশি হলে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা, আবার বমিও হতে পারে! বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই খাবার থেকে অ্যালার্জি হয়ে থাকে! তবে সেটি ব্যক্তি বিশেষে ভিন্নতা দেখা যায়! কিছু খাবার রয়েছে যা থেকে অনেকেরই অ্যালার্জি হয়।

যাদের কিছু খাবার খেলে অ্যালার্জিতে পড়তে হয় তাদের সেইসব খাবারগুলো এড়িয়ে চলায় উত্তম:

অনেকেরই যেমন চিংড়ি মাছ একেবারেই সহ্য হয় না! আবার কাঁকড়া থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে! সাধারণভাবে ত্বক এবং পাকস্থলীতে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। দুধ পুষ্টিকর খাদ্য হলেও অনেকেরই আবার তা সহ্য হয় না! ল্যাকটোজেন ইনটলারেন্সের কারণে পেটের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই!

ডিমের সাদা অংশ থেকেও হতে পারে অ্যালার্জি। এই অংশে বেশি পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে যা হজম করতে অনেকেরই সমস্যা সৃষ্টি হয়।

সাধারণ লেবুতেও অনেকেরই অ্যালার্জির মতো সমস্যা হতে পারে। লেবুর রস রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে অনেকের হাতে পায়ে র্যাশ দেখা দিতে পারে। লেবুর রস সরাসরি ত্বকে লাগালেও অনেকের অ্যালার্জি শুরু হতে পারে।

আবার বেশ কিছু ফল ও সবজিতে অনেকের ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। যেমন- বেগুন, মিষ্টিকুমড়া ইত্যাদি।

চীনাবাদাম ও চীনাবাদামের তৈরি যে কোনও খাবারও অনেকেই সহ্য করতে পারেন না। ত্বকে র্যাশ বের হয়, শ্বাসনালী অনেক সময় ফুলে ওঠে, শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

চকোলেট এবং কোকো পাউডার সমৃদ্ধ খাবার অনেকেই মোটেও হজম করতে পারেন না। যে কারণে এগুলো খাওয়ার পর পরই ত্বকে র্যাশ উঠতে পারে।

আনারস একটি ভালো হলেও এই আনারসের কারণে অনেকেরই শ্বাসনালী এবং মুখের ভিতরে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে, আবার মুখও অনেক সময় ফুলে ওঠে।

তাই যাদের অ্যালার্জি সমস্যা রয়েছে তাদের উপরোক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। নইলে ছোট সমস্যা হতে অনেক সময় বড় কোনো সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে। আমরা অনেক সময় দেখি অনেকের এই অ্যালার্জির কারণে মারাত্মকভাবে সমস্যা দেখা দেয়। তখন হাসপাতালে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। তাই যাদের সমস্যা রয়েছে তারা এইসব খাবার খাওয়ার সময় সাবধান হোন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...