The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কেনো খাবেন টমেটো-শসার সালাদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা অনেকেই সালাত খেতে পছন্দ করি। টমেটো ও শসার সালাদ সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার। আজ জেনে নিন কেনো খাবেন টমেটো-শসার সালাদ।

কেনো খাবেন টমেটো-শসার সালাদ 1

সবজি হিসেবে পরিচিত হলেও টমেটো-শসা এই দুটো কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য টমেটো-শসার বিকল্পও কিছু নেই। সালাদ বা সবজি হিসেবেও তরকারিতে বেশ ভালো এই দুটো। নিয়মিত টমেটো-শসার সালাদ খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে বহু। উদ্ভিদবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুসারে শসা একটি ফল হিসেবে পরিগণিত। ফুল থেকে হওয়া শসায় বীজও থাকে। তবে আজ এর উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

শসা

আঁশ সমৃদ্ধ শসায় রয়েছে ভিটামিন এবং এতে থাকা পানি খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। নিয়মিত শসা খাওয়ার কারণে পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে ও যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তা দূর হয়ে যায়।

শসায় থাকা ভিটামিন-কে ও ক্যালসিয়াম শরীরের হাড়কে মজবুত করে তুলতে সাহায্য করে। ভিটামিন-কে হাড়ের ক্ষয়রোগের ঝুঁকি কমায় ও শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণেও সহায়তা করে। শসাতে ভিটামিন-বি১, ভিটামিন-বি৫ ও ভিটামিন-বি৭ রয়েছে। নিয়মিত শসা খাওয়ার কারণে এসব উপাদান মানুষের উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

এতে থাকা ফসফরাস উপাদানটি হরমোন নিয়ন্ত্রণকারী মূল পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে। সবুজ এই সুস্বাদু সবজি কিংবা ফলে প্রায় ৪ শতাংশ ফসফরাস রয়েছে যা সকল প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্যই প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় শসা রাখলে কদিন পর নিজেই শসা খাওয়ার উপকারিতা আপনি বুঝতে পারবেন।

টমেটো

টমেটো নিয়মিত খাওয়ার কারণে মুখের সৌন্দর্য ঠিক থাকে ও চেহারা থেকে বয়সের ছাপও দূর হয়। টমেটোর রস মুখের ত্বক মসৃণ এবং কোমল রাখতে সাহায্য করে। মানুষের বয়স বৃদ্ধির সময় মুখে বয়সের চাপও পড়ে, তবে নিয়মিত টমেটো খাওয়ার কারণে সেই ছাপ ধীরে ধীরে মুছে যেতে থাকে।

টমেটো উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন নিয়ম করে সকালে খালি পেটে যদি শুধু টমেটো খাওয়া যায়, তাহলে ইতিবাচক উপকার পাওয়া যাবে। আবার রক্তস্বল্পতা দূরীকরণেও সহায়তা করে থাকে এই টমেটো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...