The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

রাত জেগে অফিসের কাজে ক্লান্তি বাড়লে কী করবেন?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা সবাই জানি রাত জাগলে শরীরের বারোটা বাজবেই। সেইসঙ্গে বাড়বে মানসিক চাপ, উদ্বেগও। তবে পেশাগত ক্ষেত্রে রাত জেগে কাজ এড়িয়ে যাওয়া চলবে না। তাহলে শরীর সুস্থ এবং তরতাজা থাকতে কী কী করবেন?

রাত জেগে অফিসের কাজে ক্লান্তি বাড়লে কী করবেন? 1

যারা রাত জেগে অফিসের কাজ করেন, তারা জানেন কতোটা ক্লান্তি ও ঝিমুনি বাসা বাঁধে শরীরে। সকালে ঘুমোলেও সেই ক্লান্তি যেতে চাই না। তার উপর যদি রাতের খিদে মেটাতে গিয়ে ঝালমশলা দেওয়া খাবার, মুখরোচক স্ন্যাকসে ডুবে থাকেন, তাহলে তো আর কথাই নেই। অফিসে থেকে রাতের শিফ্‌ট করা এক রকম, বাড়ি থেকে কাজ করা কিন্তু আরেক রকম। অফিসে থাকলে কিছুক্ষণের জন্যও গা এলিয়ে দেওয়ার উপায় থাকে না। ঠায় বসে থাকতে হয়। এছাড়াও দ্রুত কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার তাড়াতো থাকেই।

এই বিষয়ে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একটানা রাত জেগে কাজ করলে শরীরের উপর বড় প্রভাব ফেলে। ঘুমোনোর রুটিনও তো ঘেঁটে যায়ই, খিদে নষ্ট হওয়া, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া কিংবা মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো নানা উপসর্গও দেখা দিতে পারে। পেশাগত কারণে রাত জেগে কাজ করতে হলে, এটি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। তাই সেই ক্ষেত্রে কীভাবে শরীর এবং মনের যত্ন নেবেন, তা জেনে নেওয়া ভালো।

কাজের রুটিন বানিয়ে নিন

প্রথমেই দরকার পরিকল্পনা। আজকের দিনে আপনার হাতে কী কী কাজ রয়েছে, কোন কাজগুলো আজই সেরে ফেলতে হবে, তার একটা তালিকাও বানিয়ে নিন প্রথমেই। এরপর সেইভাবে কাজ শুরু করুন। রাত জেগে কাজ করলে তখন শরীরের পাশাপাশি মনের পরিশ্রমও হয়। তাই কাজ করতে হবে গুছিয়ে ও নিয়মমাফিক।

কাজ নিয়ে কখনও বসে থাকবেন না

কাজ গুছিয়ে নিয়ে দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করতে হবে। সারারাত বাকি রয়েছে ভেবে অনেকেই একটু গেম খেলে নেন কিংবা মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটিতে ব্যস্ত হন। এতে করে কাজের উৎসাহ হারিয়ে যায়। প্রথমত: এতে সময় নষ্ট হয়, দ্বিতীয়ত: শেষে গিয়ে সব একেবারে তালগোল পাকিয়ে যায়।

রাত জাগলে ভাজাভুজি জিনিস একদম নয়

রাত জাগলেই খিদে পাবে এবং টুকটাক কিছু খেতে মন চাইবে। তবে দেখবেন, বেশি রাতে খিদে পেলে হয়তো ভাজাভুজি কিছু খেতে সাধ জাগে, নয়তো আইসক্রিম, চকোলেটের দিকেই হাত চলে যায়। খিদে পেলে তা চেপে রাখার মানেই হয় না। বরংচ চেষ্টা করতে হবে এমন কিছু খাওয়ার, যা রাতে খেলেও গ্যাস হবে না। ইচ্ছে করলে রাতের বেলায় বাদাম জাতীয় খাবার খেতে পারেন। পুষ্টিবিদরা বলেছেন, আমন্ড, আখরোট হাতের কাছে রাখুন। আবার পপকর্ন খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ নয়। কর্ন সেদ্ধও খুবই উপকারী। খেতে পারেন কিশমিশ, বেরি, শুকনো খেজুর, পেস্তা ইত্যাদি।

বিরতি নিন

কখনও টানা কাজ করে যাবেন না। মাঝেমধ্যেই বিরতিও নিতে হবে। অফিসে থাকলে উঠে একটু সময় হেঁটে আসুন। বাড়িতে থাকলে কিছুক্ষণ মাথা নামিয়ে বিশ্রামও নিতে পারেন।

পর্যাপ্ত পানি খান

রাত জাগলে আপনাকে পানি খেতেই হবে। অনেকেই কাজ শেষ করার তাড়ায় পানি কম খান। এর পরিবর্তে কোমল পানীয়ে চুমুক দেন। এই অভ্যাস খুবই খারাপ একটি অভ্যাস। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, রাতে বেশি মিষ্টি দেওয়া পানীয় খেলে তাসেটি ক্লান্তি, মানসিক চাপও আরও বাড়াবে। ‘স্ট্রেস হরমোন’-এর ক্ষরণও বাড়িয়ে দেবে।

শরীরচর্চা জরুরি

রাত জেগে তারপর সকালে ঘুমোলেও ক্লান্তি যায় না। তাই রাত জাগতে হলে, নিয়ম করে শরীরচর্চা করাটা জরুরি। হাঁটাহাঁটি, দৌড়ানো, স্পট জগিং করতে পারেন। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx
bn_BDBengali