দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মডার্ন লাইফস্টাইল ক্লোদিং ব্র্যান্ড রাইজ -এর সাথে এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশের উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এই চুক্তির ফলে,বাংলালিংকের অরেঞ্জ ক্লাবের মেম্বাররা রাইজে কেনাকাটায় বিশেষ ছাড় উপভোগ করবেন।
বাংলালিংকের ২০ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রাইজে ২০ শতাংশ বিশেষ ছাড় পাবেন। এছাড়াও, রাইজ -এর সব আউটলেটে অরেঞ্জ ক্লাবের মেম্বাররা অন্য সময় ১২ শতাংশ এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট উপভোগ করবেন। এই অফার গ্রাহকদের লাইফস্টাইলে নতুন মাত্রা যোগ করার ক্ষেত্রে বাংলালিংকের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
সম্প্রতি, তেজগাঁওয়ে রাইজ -এর করপোরেট অফিসে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন এর লয়্যালটি প্রোগ্রামের সিনিয়র ম্যানেজার জাইন জামান এবং লয়্যালটি পার্টনারশিপ ম্যানেজার শাহাদাত এইচ মজুমদার। রাইজ -এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম মোশাররফ এবং ব্র্যান্ডটির রিটেইল অপারেশন ম্যানেজার মো. আরেফিন হক।
বাংলালিংকের মার্কেটিং অপারেশনস ডিরেক্টর মেহেদী আল আমিন বলেন, “আমাদের গ্রাহকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রয়াস নিয়ে কাজ করে অরেঞ্জ ক্লাব লয়্যালটি প্রোগ্রাম। রাইজের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের অরেঞ্জ ক্লাব মেম্বারদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্টের সুযোগ করে দেয়ার মাধ্যমে তাদের শপিং – এর অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডের সঙ্গে এ অংশীদারিত্ব আমাদের বিশ্বস্ত গ্রাহকদের জন্য আরও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ।”
রাইজ-এর প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম মোশাররফ বলেন, “ফ্যাশন-ফরোয়ার্ড রিটেইলার হিসেবে দেশীয় সংস্কৃতি এবং বৈশ্বিক ফ্যাশন ট্রেন্ডের সমন্বয়ে ক্রেতাদের লাইফস্টাইলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে রাইজ। বাংলাদেশে স্ট্রিটওয়্যার ফ্যাশনের অগ্রণী ব্র্যান্ড হিসেবে রাইজ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাবের সঙ্গে পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমাদের জন্য দেশের ফ্যাশনপ্রেমী তরুণদের আরও কাছে যাওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org