The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ব্যথা-বেদনা সারাতে একটি বিশেষ তেলের কথা বলেছেন গবেষকরা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ গবেষকরা বলেছেন, ব্যথানাশক ওষুধ আইবুপ্রোফেনের মতোই কাজ করবে এই তেলটি। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ও থাকবে না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

ব্যথা-বেদনা সারাতে একটি বিশেষ তেলের কথা বলেছেন গবেষকরা 1

অনেক সময় এমন হয় যে অসহ্য ব্যথায় ওষুধ খেতেই হবে। তবে মাথাব্যথা, হাত-পায়ে একটু ব্যথা হলো কি হলো না, তাতে ওষুধ খেয়ে নেওয়ার প্রবণতা থাকে অনেকের মধ্যে। বাড়ির ফার্স্ট-এড্ বক্সে গুচ্ছ গুচ্ছ ব্যথানাশক ওষুধ অনেকেই মজুতও করে রাখেন। তবে সাম্প্রতিক নানা গবেষণা বলছে যে, ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। ওষুধে ব্যথা সারে সেটি ঠিক, তবে তারসঙ্গে নানা শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। অর্থাৎ, এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক। বেশ কিছু ব্র্য়ান্ডের ব্যথানাশক ওষুধের উপর তো রীতিমতো নিষেধাজ্ঞাই জারি করা হয়। সেই জায়গায় ব্যথা-বেদনা কমাতে ঠিক ওষুধের মতোই কাজ করতে পারে এই একটি বিশেষ তেল।

ব্যথানাশক ওষুধ আইবুপ্রোফেনের মতোই কাজ করবে ওই তেলটি। অনেকের বাড়িতেই এটি থাকে। এই তেলের নাম হলো একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল। এই তেলের এমন গুণ রয়েছে, যা শরীরের প্রদাহও নাশ করতে পারে। গাঁটে গাঁটে ব্যথাও কমিয়ে দিতে পারে।

ফিলাডেলফিয়ার মোনেল কেমিক্যাল সেন্সেস সেন্টারের গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এই একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর। এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে পারে। এই তেলে ‘ওলিওক্যান্থাল’ নামে এক উপাদান থাকে, যা মূলত ব্যথানাশক ওষুধ আইবুপ্রোফেনের মতোই কাজ করে। মাথাব্যথা কিংবা আর্থ্রাইটিসের ব্যথা হলে ওষুধের পরিবর্তে বেশি উপকারে আসতে পারে এই অলিভ অয়েলটি। ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে। বহু জনের উপর পরীক্ষাটি করে বিজ্ঞানীরা এমন তথ্য দিয়েছেন।

কতোটা খেলে ব্যথা কমবে?

অলিভ অয়েল খেলেই যে ব্যথা সঙ্গে সঙ্গেই কমে যাবে, এমনটি কিন্তু নয়। গবেষকেরা জানিয়েছেন, যারা দীর্ঘ মেয়াদে অলিভ অয়েল ব্যবহার করছেন, তারাই উপকৃত হবেন। রান্নায় দিয়ে কিংবা স্যালাডে মিশিয়ে একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল যদি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে আর ওষুধ খেতে হবে না বলেই দাবি করেছেন গবেষকরা। সেই ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫০ গ্রাম কিংবা ৪ চা-চামচ করে অলিভ অয়েল আপনাকে খেতে হবে।

এই ধরনের তেল নিঃসরণে কোনও যন্ত্রের প্রয়োজনও পড়ে না। এমনকি কোনও তাপ বা রাসায়নিকের ব্যবহারও এতে হয় না। এই তেলের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ‘ফিল্টারিং’ পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়। এক্সট্রা ভার্জিন অয়েলে অ্যাসিডের মাত্রাও থাকে ০.৮ শতাংশ। এ ছাড়াও এতে কোনও ধরনের বাড়তি গন্ধ এবং স্বাদ ব্যবহার করা হয় না। সেই কারণে এই তেল অনেক বেশিই স্বাস্থ্যকর বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali