The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

স্যামসাংয়ের নতুন তিন মডেলের চেস্ট ফ্রিজার বাজারে এলো

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দৈনন্দিন জীবনে খাবার দীর্ঘ সময় সতেজ রাখার চাহিদা পূরণে উন্নত কুলিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে স্যামসাং।

স্যামসাংয়ের নতুন তিন মডেলের চেস্ট ফ্রিজার বাজারে এলো 1

এর ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারে চেস্ট ফ্রিজারের নতুন লাইন-আপ উন্মোচন করেছে স্যামসাং বাংলাদেশ, যা খাবার সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখায় আরও কার্যকর সুবিধা দেবে।

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত ইলেক্ট্রা শোরুমে গত ২৭ এপ্রিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফ্রিজারগুলো উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বিভাগের ডিরেক্টর ও হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের রিটেইল স্ট্র্যাটেজির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রাজিব দাস গুপ্ত এবং প্রোডাক্ট প্ল্যানিংয়ের চিফ ম্যানেজার আনিকা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহিদ আহমেদ আবদুল্লাহ, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ মোবারক হোসেন এবং অপারেশনস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার এটিএম মহিউদ্দিন ।

স্যামসাংয়ের নতুন এই সিরিজে রয়েছে তিনটি মডেল- আরআই৭০এফ৩৭, আরআই৭০এফ২৯ ও আরআই৭০এফ২০। এগুলোর ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৩৭১, ২৮৭ ও ১৯৮ লিটার। ফলে পরিবারের সদস্যসংখ্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দের মডেল বেছে নেওয়া যাবে। একই সঙ্গে ফ্রিজারগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ডার্ক গ্রে রঙের আধুনিক ফিনিশ, যা ঘরের পরিবেশের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়।

তিনটি মডেলেই রয়েছে আট ধাপের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নিখুঁতভাবে তাপমাত্রা কমানো বা বাড়ানো যাবে। সঙ্গে আছে ‘ইনটেনসিভ কুলিং’ সুবিধা, যা তাপমাত্রা কমিয়ে মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামাতে পারে। দীর্ঘ সময় মাংস কিংবা মাছ সংরক্ষণে এটি কার্যকর একটি ফিচার।

ফ্রিজারগুলোর দরজা এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে যেকোনো এঙ্গেলে খোলা অবস্থায় নিজে থেকেই স্থির থাকে। এতে জিনিসপত্র রাখা ও বের করা সহজ হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বিভাগের ডিরেক্টর ও হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, “প্রযুক্তির কাজ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করা—আমরা সব সময় এই বিশ্বাস নিয়েই কাজ করি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে চেস্ট ফ্রিজারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ব্যবহারকারীদের এই বাড়তি চাহিদা বিবেচনায় এখনই নতুন এই ফ্রিজারগুলো বাজারে আনার উপযুক্ত সময় বলে মনে হয়েছে। গ্রাহকেরা এখন যে ধরনের সমাধান খুঁজছেন, সেটিই তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা এটি।”

ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহিদ আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের উত্তরা শোরুমে নতুন মডেলের এই ফ্রিজারগুলো উন্মোচন করতে পেরে আমরা গর্বিত। স্যামসাংয়ের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের কাছে উন্নত প্রযুক্তিসমৃদ্ধ পণ্য পৌঁছে দিতে পারছি। উভয় প্রতিষ্ঠানই পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সমান গুরুত্ব দেয়। তাই নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক ডিজাইনের ফ্রিজার খুঁজছেন- এমন গ্রাহকেরা এখানে পছন্দসই পণ্য পাবেন বলে আমরা আশা করছি।”

আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ এই ফ্রিজারগুলো এখন সারা দেশে পাওয়া যাচ্ছে। আরআই৭০এফ২০ মডেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা, আরআই৭০এফ২৯-এর দাম ৬২ হাজার ৯০০ টাকা এবং আরআই৭০এফ৩৭-এর দাম ৭৫ হাজার ৯০০ টাকা। উদ্বোধন উপলক্ষে সীমিত সময়ের জন্য প্রতিটি মডেলে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা দিচ্ছে স্যামসাং।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali