The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

থ্রিডি প্রিন্টারের সাহায্যে পঙ্গুত্ব থেকে বেঁচে গেল এক সুইডিশ কিশোরী!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বর্তমান সময়ের আলোচিত এক প্রযুক্তির নাম থ্রিডি প্রিন্টার। থ্রিডি প্রিন্টারের কল্যাণে বন্দুক তৈরি, খাবার তৈরি, জঙ্গি বিমানের পার্টস তৈরি, এমনকি কৃত্রিম ফুল তৈরি করা সম্ভব হয়েছে যা প্রস্ফুটিত হতে পারে। সম্প্রতি থ্রিডি প্রিন্টার কাজে লাগানো হলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে।

Untitled-1

চিকিৎসকরা সুইডিশ এক কিশোরীর জন্মগত রোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হাড়ের বদলে থ্রিডি প্রিন্টারে প্রিন্ট করা হাড় প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হন। থ্রিডি প্রিন্টারের কল্যাণে কিশোরীটি বেঁচে গেল, নির্ঘাৎ পঙ্গুত্ববরণ থেকে। সুইডিশ কিশোরীটির বয়স ছিল ১৫ বছর। জন্মগতভাবেই সে একটি রোগ বয়ে বেড়াচ্ছিল। তার শ্রোণীদেশের হাড়ে neurofibroma নামের টিউমার ছিল। কালক্রমে সেটা শ্রোণীদেশের হাড়ের মারাত্মক ক্ষতি করে। টিউমারটি সার্জারি করার মাধ্যমে সরিয়ে ফেলার পর দেখা যায় বিপত্তি। বাম পাশের শ্রোণীদেশের হাড় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এই উপায়ে চিকিৎসা প্রদান সীমিত ছিল। কিশোরীটি নিশ্চিত পঙ্গুত্ববরণ করে নেয়া ছাড়া উপায় ছিল না। তার চিকিৎসকরা নিশ্চিত ছিলেন না সে আর স্বাভাবিক হাঁটা চলা করতে পারবে কিনা।

২০১২ সালে স্কেন ইউনিভার্সিটি এর প্রফেসর Rydholm বিষয়টি তদারকি করছিলেন। তিনি মোবলাইফ সম্পর্কে জানতে পারেন। মোবলাইফ বেলজিয়ামের একটি প্রতিষ্ঠান যারা হচ্ছে হাড় এবং জয়েন্ট পুর্নস্থাপন বিষয়ক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। প্রতিষ্ঠানটি থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে হাড় প্রতিস্থাপনের দায়িত্ব নেয়।

টোমোগ্রাফি স্ক্যানের মাধ্যমে রোগীর নিজস্ব হাড়ের ডিজাইন করা হয়। ক্ষতিগ্রস্থ হাড়ের ক্ষয়প্রাপ্ত অংশগুলো সনাক্ত করা হয়। রোগীর যে অংশটুকু পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়েছে তার আকৃতি ডিজাইন নির্ধারণ করা হয়। থ্রিডি প্রিন্টারের সাহায্যে সেরূপ আকৃতির হাড় নির্মাণ করা হয় যা শ্রোণীদেশের ক্ষতিগ্রস্থ হাড় কে প্রতিস্থাপিত করে।

সার্জারি করার দেড় বছর পর কিশোরীরিটি এখন নিজের পায়ে ভর দিয়ে চলতে পারে। তাকে হুইল চেয়ার ব্যবহার করতে হয় না। সে এখন স্কুলেও যেতে পারছে।

ভিডিও দেখুন:

http://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=2XvgsoWaLqQ

তথ্যসূত্র: গিজম্যাগ, মোবলাইফ

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...