The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নুহাশ পল্লীতে ইফতার

ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ ছেলে ও স্বজনদের নিয়ে গাজীপুরে নুহাশ পল্লীতে ইফতার করেছেন কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
নুহাশ পল্লীতে ইফতার 1
গতকাল বৃহস্পতিবার ১৬ আগস্ট বিকালে হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এই ইফতারে মাহফিলে হুমায়ূনের প্রথম পক্ষের তিন মেয়ে নোভা আহমেদ, শিলা আহমেদ, বিপাশা আহমেদ ও ছেলে নুহাশ আহমেদের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও ‘বিশেষ অসুবিধার’ কারণে তারা যোগ দিতে পারেননি। দুপুরে ঢাকা থেকে নুহাশ পল্লীতে পৌঁছান শাওন।

পরে শাওন সাংবাদিকদের বলেন, হুমায়ূন আহমেদ রোজার প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যায় সবাইকে নিয়ে ইফতার খেতেন। তিনি কখনো একা ইফতার খেতে পছন্দ করতেন না।

হুমায়ূন আহমেদের ঈদের স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ঈদের দিন সকালে দুই ছেলের হাত ধরে মাঠে নিয়ে যেতেন। বাবা-ছেলে একই ধরনের কাপড় পড়তেন। সারা বছর নিজের জামা-কাপড়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকলেও ঈদে হুমায়ূন আহমেদ পছন্দ করতেন সাদা কাপড়ের ওপর নীল সুতার কারুকাজ করা পাঞ্জাবি। হুমায়ূন আহমেদ না থাকলেও নুহাশ পল্লীতেই এবার সন্তানদের নিয়ে ঈদ করবেন বলে জানান শাওন। “রাতে সবার সঙ্গে ঢাকা ফিরবো। এরপর চাঁদ রাতে ঈদ করার জন্য দুই ছেলেকে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে যাবো।”

পিরুজালী গ্রামের নুহাশ পল্লীতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ইফতারির আয়োজন ব্যস্ত ছিল সবাই। হুমায়ূনের পরিবার, বন্ধুবান্ধব, গ্রামের লোকজন মিলিয়ে প্রায় পাঁচশ মানুষ এতে অংশ নেন। ইফতারের আগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয় নুহাশ পল্লীর ভিতরের ‘বৃষ্টি বিলাস’ এর সামনের খোলা মাঠে। হুমায়ূনের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওনের মা তহুরা আলী এমপিও এই ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৯ জুলাই কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর ২৪ জুলাই এই নুহাশ পল্লীতেই তাকে দাফন করা হয়। এরপর ৯ অগাস্ট হুমায়ূনের মেয়েদের উপস্থিতিতে নুহাশ পল্লীতে গঠিত হয় স্মৃতি সংসদ। সেদিনই নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক করে নয় সদস্যের কমিটি করা হয়।

(সৌজন্যে: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...