শনি উপগ্রহে প্রাণের আশঙ্কা করছেন নাসার বিজ্ঞানীরা

ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বিজ্ঞানীদের গবেষণার শেষ নেই। তারা বিভিন্ন সময় উপগ্রহের নানা গবেষণা করছেন। সমপ্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে শনি উপগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব পেয়েছেন। যদিও বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, তবে নিশ্চিত হতে অন্তত ২০ বছর সময় লাগবে বলে বিজ্ঞানীরা অভিমত দিয়েছেন।

সূর্য্য থেকে মাত্র ১০০ কোটি মাইল দূরে শনির গায়ে বরফে ঘেরা ৩১০ মাইল চওড়া এক মহাজাগতিক বস্তুকে ঘিরে বিজ্ঞানীদের মধ্যে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে, বস্তুটির নাম এনসেলাডাস। বিজ্ঞানী উইলিয়াম হারকোল শনির এই অন্যতম উপগ্রহটি আবিস্কার করেন ১৭৮৯ সালে। শনিকে ঘুরে চলা রোবট চালিত মহাকাশযান ৮ বছর ধরে যে গবেষণা চালিয়েছে ও যা ছবি পাঠিয়েছে তা দেখে অবাক হয়ে গেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। কারণ প্রচুর এনসেলাডাসের মধ্যে রয়েছে বায়ুমন্ডল ও জলের কনা যা বাষ্প আকারে দাড়িয়ে পড়ছে সেই বায়ুমন্ডলে। আর মনে করা হচ্ছে এই বাষ্পের মধ্যে মিশে আছে ইথেন, অ্যাসিলিটিন ও প্রপোনের মত জৈবযৌগ, যা প্রাণের জন্য অন্যতম প্রাথমিক উপাদান। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে জল বাষ্পীভূত হওয়া মানেই উপগ্রহটিতে তাপের উৎস আছে, আর এই উৎস পৃথিবীর মতই গলিত ম্যাগ্মার লাভার স্রোত। তবে আরও ভাল ভাবে জানতে এখনও ২০ বছর সময় লাগবে বলে ধারণা করছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...