The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

আশ্চর্য প্রাণীবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ সাতটি অসাধারণ দ্বীপ

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য দ্বীপ। আর এই দ্বীপগুলো বিরল প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের আধার। এই প্রাণীবৈচিত্র্য আর উদ্ভিদের সমাহারে তা প্রকৃতিপ্রেমীদের করেছে মোহনীয়। তাইতো প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে গিয়েছে সেখানে সময়ে অসময়ে। তেমনি কতগুলো বৈচিত্র্যময় দ্বীপের কথা আজ আমরা তুলে ধরবো।


barnio

১. বোর্নিও

পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। এই দ্বীপটি ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রনাইয়ের মধ্যে বিস্তৃত। দ্বীপটির মোট আয়তন ৭৫১,১০০ বর্গকিমি বা ২৯০,০০০ বর্গ মাইল। দ্বীপে বানর প্রজাতির স্তন্যপায়ী ১০টি, ৩৫০ প্রজাতির পাখি, ১৫০ প্রজাতির সরীসৃপ ও উভচর প্রাণী আছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে ৬ হাজার বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ।

২. সুমাত্রা

sumatra

সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ। এর আয়তন প্রায় ৪,৭৩,৪৮১ বর্গ কিলোমিটার এবং এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর দ্বীপগুলোর মধ্যে ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। সুমাত্রার জীববৈচিত্র্যর মধ্যে রয়েছে বাঘ, হাতি, হনুমান, গন্ডার, ওরাংওটাং। সুমাত্রান বাঘকে এই অঞ্চলের একটি বিশেষ প্রজাতির প্রাণী হিসেবে ধরা হয়। এখানে প্রায় ৪০০ বিরল প্রজাতির প্রাণী বাস করে থাকে।

৩. মাদাগাস্কার

Madagascar-green-hill

মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ। আয়তন ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪১ বর্গ কিমি। মাদাগাস্কার সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত এর অদ্ভুতুড়ে জীববৈচিত্র্যের কারণে। কেননা মাদাগাস্কারের জীবজন্তুগুলোর প্রায় ৮০ ভাগই পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না। মাদাগাস্কারে প্রায় ৬০০ প্রজাতির জীব আছে। বিজ্ঞানীদের হিসাবমতে, মাদাগাস্কারে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২ লক্ষ প্রাণী এবং গাছ আছে, এদের বেশিরভাগই পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখতে পাওয়া যায় না। এদের মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৫ প্রজাতির লেমুর, ৩৬ প্রজাতির পাখি এবং আরো অনেক অদ্ভূত অদ্ভূত সব প্রাণী।

৪. নিউজিল্যান্ড

wp_New_Zealand_1680x10501

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড। দেশটির পরিবেশ এবং প্রাণীকূল বৈচিত্র্যময়। নিউজিল্যান্ডের জীব বৈচিত্র্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বিশ্বখ্যাত পরিচালক পিটার জ্যাকসনের বিখ্যাত সিনেমা ‘লর্ড অফ রিংগস’। এই ছবিতে নিউজিল্যান্ডের প্রায় সব জীব বৈচিত্র্যের দেখা পাওয়া যায়। এছাড়াও জেমস ক্যামেরনের অ্যাভাটার চলচ্চিত্রের পুরো শুটিং হয়েছিল এই দেশটিতে। এখানে রয়েছে বিরল প্রজাতির প্রায় বাদুর, সরীসৃপ আর মাছ।

৫. তাসমানিয়া

tasmania

তাসমানিয়া একটা অস্ট্রেলিয়ান দ্বীপ রাজ্য যা মূল ভূমি থেকে ২৫০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত। প্রশান্ত মহাসাগরে এর অবস্থান। তাসমানিয়াকে বলা হয় তার দেশের জীববৈচিত্রের হটস্পট। কেননা তাসমানিয়ায় রয়েছে মাংশাসী প্রাণী; যেগুলোকে বলা হয় তাসমানিয়ান শয়তান। এছাড়াও রয়েছে হুয়ান পাইন গাছ, যেগুলো খুব ধীরে বড় হয় কিন্তু বেচে থাকে প্রায় ৩ হাজার বছর। এই দ্বীপে পেঙ্গুইন, তোতা এবং বিরল প্রজাতির সুদর্শন পামলিক গাছ দেখতে পাওয়া যায়।

৬. কৌইবা দ্বীপ, পানামা

palaui-06

পানামার মূল ভূখণ্ড থেকে ১৫ মাইল দূরে এই দ্বীপটির অবস্থান। এর আয়তন প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার একর, এই দ্বীপটি পানামার সবচেয়ে বড় দ্বীপ। এখানকার মতো এমন ম্যানগ্রোভ বন, আদিম বেলাভূমি পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায় না। কোইবা দ্বীপ হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র স্থান যেখানে এখনও লম্বা লেজওয়ালা লাল রঙের টিয়ে পাখি এবং ঝুঁটিওয়ালা ঈগল টিকে আছে।

৭. গালাপোগাস

Galapagos-Island-Turtle

দক্ষিণ আমেরিকার সমুদ্র উপকুল হতে আনুমানিক এক হাজার কিলোমিটার পশ্চিমে ইকুয়েডর এর নিকটবর্তী আগ্নেয়শিলা দ্বারা গঠিত যে দ্বীপগুলো পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে আছে তাই “গালাপাগোস” নামে পৃথিবীজুড়ে পরিচিত। বিখ্যাত প্রকৃতিবিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন এই দ্বীপে প্রায় তিন বছর অবস্থান করে দ্বীপের বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেন, প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করে রচনা করেন দি অরিজিন অব স্পেসিস। এই দ্বীপকে বলা হয় প্রকৃতির বিস্ময়। কেননা এই দ্বীপের প্রাণীবৈচিত্র্য এতটাই ভিন্ন যে বিজ্ঞানীদের ধারণা হাজার বছর পুর্বে তা ভূমিকম্পের কারণে আফ্রিকার মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা হয়ে যায়।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx