The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

বহুল আলোচিত সেই তালপট্টি এখন ভারতের!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার রায় বাংলাদেশের পক্ষে আসলেও দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের মধ্যে চলে গেছে। প্রায় তিন দশক ধরে এই তালপট্টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মন কষাকষি চলছিল।

Bangladesh-India-১

এই তালপট্টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিন যাবত দেন-দরবার চলে আসছিল। তালপট্টি দ্বীপটি জাগার পর থেকেই এটি ভারত দখলে নেই। সেই সময় হতেই বাংলাদেশ জোরালোভাবে তালপট্টি দ্বীপের দাবি করে আসছে। ভারতের সঙ্গে ১৯৭৪ সালের পর থেকে এই বিষয়টি নিয়ে নানা রকম আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ফল হয়নি কিছুই।

Bangladesh-India

১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের পর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার প্রথম প্রকাশ করে, চব্বিশ পরগনা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় একটি নতুন দ্বীপের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ল্যান্ড রিসোর্স স্যাটেলাইট ১৯৭৪ সালে যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে দেখা যায় যে, ওই দ্বীপটির আয়তন প্রায় আড়াই হাজার বর্গমিটার। এটি ভাটার সময় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সীমানায় এ দ্বীপের বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মালিকানা দাবি করে এই দ্বীপটির নাম দেয়া হয় ‘দক্ষিণ তালপট্টি’। অপরদিকে ভারতও নিজেদের মানচিত্রে দ্বীপটির অধিকার দাবি করে নাম দেয় ‘পূর্বাশা’ বা ‘নিউ মুর’।

আশির দশকের প্রথম দিকে এ দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত টানাপড়েন শুরু হয়। এর আগে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ ভারতকে একটি যৌথ সমীক্ষার প্রস্তাব দিলেও ১৯৮১ সালে ভারত সেটিকে তোয়াক্কা না করে সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে সেখানে নিজেদের পতাকা ওড়ায়।

এরপর থেকে দুই দেশের রাজনীতিতেই তালপট্টি ইস্যু নিয়ে বার বার আলোচনা হয়েছে কিন্তু ফল হয়নি। ১৯৯০ সালে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এক স্যাটেলাইট জরিপের মাধ্যমে দ্বীপটির ক্ষয়ে যাওয়ার খবর শোনায়। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে তালপট্টি সমুদ্রগর্ভে হারিয়ে যায়।

হেগের আর্বিট্রেশন ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছে, তাতে বাংলাদেশ এবং ভারতের সমুদ্রসীমা যেভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তাতে দক্ষিণ তালপট্টি ভারতের মধ্যে পড়ে গেছে। এটি নিয়ে সরকারের এখন আর কিছুই করার নাই।

হেলো টুডে অনলাইনের তথ্য মতে, বহুল আলোচিত এই দ্বীপটির অবস্থান ছিল, ২১ ডিগ্রি ৩৭ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯ ডিগ্রি ৮ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। কিন্তু হেগের আর্বিট্রেশন ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছে তাতে বাংলাদেশ এবং ভারতের সমুদ্রসীমা শুরু হবে ২১ ডিগ্রি ৩৮ মিনিট ৪০.২ সেকেন্ড উত্তর অক্ষাংশ। ৮৯ ডিগ্রি ৯ মিনিট ২০ সেকেন্ড পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে।

এরপর ২১ ডিগ্রি ২৬ মিনিট ৪৩.৬ সেকেন্ড উত্তর অক্ষাংশ, ৮৯ ডিগ্রি ১০ মিনিট ৫৯.২ সেকেন্ড পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২১ ডিগ্রি ৭ মিনিট ৪৪.৮ সেকেন্ড উত্তর অক্ষাংশ, ৮৯ ডিগ্রি ১৩ মিনিট ৫৬.৫ সেকেন্ড পূর্ব দ্রাঘিমাংশ ছুঁয়ে এই রেখা অগ্রসর হবে দক্ষিণে। ৮৯ ডিগ্রি ১৩ মিনিট ৫৬.৫ সেকেন্ড পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ১৭৭ ডিগ্রি ৩০ মিনিট দিগংশে (ওই বিন্দু থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রমিত কোণ) এই রেখা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমার সঙ্গে মিলবে।

ওই অনলাইনে বাংলাদেশের ডেপুটি এজেন্ট ও মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম তালপট্টির বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল কোনো সিদ্ধান্ত দিয়েছে কি না সে প্রসঙ্গে বলেছেন, “আপনারা জানেন-এটা একটা বালির দ্বীপ। ১৯৭০ সালে যে সাইক্লোন হয়েছিল, তখন তা উঠেছিল। পরে ১৯৮৫ সালে উড়িরচরে যে সাইক্লোন হয়, তাতে তা বিলীন হয়ে যায়। সে সময় থেকে আর এটা (দক্ষিণ তালপট্টি) নেই। ম্যাপে তো দেখতেই পাচ্ছেন আপনারা। তিনি বলেন, “১৯৮৯ থেকে দ্বীপ বলে কিছু নেই। ২০০৮ সালে ভারতও বলেছে, নিউমুর ইজ নো মোর।” Map-India মানচিত্রে এই জায়গাতেই ছিল তালপট্টির অবস্থান।

খুরশেদ আলম ইতিহাস টেনে ওই সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘১৯৪৭ সালের রেডক্লিফ লাইন মেনে এ সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই মানচিত্রেও তালপট্টি বাংলাদেশে নেই। আগেই এসব মানচিত্র সংশোধন করা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, “আশি সালের আগে যখন দ্বীপ ছিল, তখন আমরা দাবি করেছি। এখন তো দ্বীপ নেই। আমাদের কোনো ম্যাপে প্রমাণ করতে পারিনি এটা আমাদের। আমরা ২০১০ সাল থেকে ম্যাপ সংশোধন করেছি।”

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx