The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল: স্ত্রীর কথা শুনুন- হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখুন!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ আপনি যদি আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে চান তবে আপনার স্ত্রীর কথা শুনুন। ভাবছেন মজা করছি না এটিই সত্যি, স্ত্রীর কথা শুনলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি হেলথকেয়ারের গবেষণায় এই তথ্যটি পাওয়া গিয়েছে। স্ত্রীর কথা শুনুন, তাঁর সঙ্গে সময় কাটান। নিজের হৃদয় ও হৃৎযন্ত্রকে সুস্থ রাখার মোক্ষম দাওয়াই- জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কথা বলা।


Mizan-2

মানুষ সামাজিক জীব। আর এই কারণেই মানুষ একা থাকতে পারে না। প্রতিটি মানুষই চায় তার মনের কথাগুলো তার কাছের মানুষের সাথে শেয়ার করতে। হয়তো দেখা গেল কোন একটি কারনে আপনার মন খারাপ। আপনার এই খারাপ লাগা অনুভূতি শেয়ার করুন আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে কিংবা বন্ধুদের সাথে দেখবেন মন ভালো হয়ে যাচ্ছে। একটি সময়ে এসে প্রতিটি পুরুষ মানুষেরই কাছের মানুষ হয়ে যায় তার স্ত্রী। আর তখন একটি পুরুষের খারাপ লাগা কিংবা বিষণ্ণতার অস্থির সময়গুলোতে সবচেয়ে প্রেরণাদায়ক হতে পারে তার স্ত্রী। গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, সময় বের করে নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে পড়লেও কিংবা অবসন্ন হয়ে বিছানায় যেতে মন ছটফট করলেও স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটান, ইতিবাচক আলোচনা করুন। স্ত্রীর সঙ্গে কথাবার্তা আপনার হৃৎযন্ত্রকে সুস্থতা নিশ্চিত করবে। মার্কিন গবেষকেরা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখেছেন যে, সঙ্গীর সঙ্গে ইতিবাচক কথাবার্তায় হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভিএ গ্রেটার লস অ্যাঞ্জেলেস হেলথকেয়ার সিস্টেমের গবেষক নাটারিয়া জোসেফ বলেন, ‘সঙ্গীর সাথে বেশি নেতিবাচক কথাবার্তার সঙ্গে পুরু ক্যারোটিড আর্টারির সম্পর্ক দেখা যায়। ক্যারোটিড অ্যার্টারি হচ্ছে রক্তনালি যা ঘাড় থেকে মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছে দেয়। পুরু ক্যারোটিডের সঙ্গে হৃৎযন্ত্রের নানা সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিতে সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়। গবেষকেরা জানিয়েছেন, যাঁরা স্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা খুব কম করেন তাঁরা সাড়ে আট শতাংশ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকেন।

আরো জানতে পড়ুনঃ বিয়ের আগে কেন স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়া প্রয়োজন?

গবেষকেরা এই গবেষণার জন্য ২৮১ জন মধ্যবয়সী দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। গবেষকেরা দাবি করেছেন, আবেগ, শারীরিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়গুলোর সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে জড়িত থাকে ইতিবাচক কথাবার্তা। এ বিষয়গুলো স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে লাইভ সায়েন্স সাময়িকীতে। গবেষক জোসেফ দাবি অবশ্য বলেছেন, পুরু ক্যারোটিড অ্যার্টেরিসের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্কের যোগসূত্র থাকতে পারে। অবশ্য এটি কার্যকারণ জাতীয় কোনো সম্পর্ক নয়। তবে আমাদের মস্তিস্কের সাথে যেহেতু পুরো শরীরের একটি সম্পর্ক রয়েছে তাই স্ত্রীর সাথে ইতিবাচক আলোচনায় মানসিক তৃপ্তিকর অনুভূতি শারীরিক সুস্থতায় ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ দিহেলথসাইট

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...