The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ইলিশের প্রজননক্ষেত্র শনাক্ত: ব্যবস্থা নিলে উৎপাদন বাড়বে দ্বিগুণ!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আষাঢ় মাসের ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। সকলের মধ্যেই একটা উৎকণ্ঠা। বাজারে কেনো ইলিশ নেই। এমন এক পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা এবং উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশের প্রজননক্ষেত্র শনাক্ত করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ব্যবস্থা নিলে উৎপাদন বাড়বে দ্বিগুণ!

Hilsha breeding identifying

ভরা মৌসুমেরও এবার ইলিশের দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। হঠাৎ করেই গত শুক্রবার থেকে বাজারে প্রচুর ইলিশ দেখা যাচ্ছে। এতে করে বোঝা যাচ্ছে ইলিশ ধরা পড়ছে জেলেদের জালে। মানুষের মধ্যে একটু যেনো স্বস্থির নি:শ্বাস দেখা যাচ্ছে। তবে সেই স্বস্থির সঙ্গে সঙ্গে আরও একটি সুখবর দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তাঁরা গবেষণা করে চিহ্নিত করেছেন ইলিশ প্রজননক্ষেত্র।

Hilsha breeding identifying-02

এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা এবং উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশের প্রজননক্ষেত্র শনাক্ত করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে এসব প্রজননক্ষেত্রে মাছ ধরা বন্ধ রাখলে এবং দূষণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিলে ইলিশের উৎপাদন দ্বিগুণ হবে বলে এই গবেষকেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো: শাহদাত হোসেনের নেতৃত্বে সাইদুর রহমান চৌধুরী, এস এম শরীফুজ্জামান ও গবেষণা সহযোগী সুব্রত সরকার দীর্ঘ ২ বছর ধরে দেশের সমুদ্র এবং বিভিন্ন নদীর ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় গবেষণা চালিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। পাশাপাশি দেশের নানা এলাকার জেলেদের কাছ হতে প্রাপ্ত তথ্যও তাঁরা গবেষণার কাজে ব্যবহার করেছেন।

Hilsha breeding identifying-03

সম্প্রতি বিজ্ঞান এবং পরিবেশবিষয়ক অনলাইন জার্নাল ‘সায়েন্স ডাইরেক্টে’, ‘ডিসকভারিং সোয়াম্পিং গ্রাউন্ড অব হিলসা ইন কোস্টাল ওয়াটার্স অব বাংলাদেশ’ শিরোনামে এই গবেষণার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে ইলিশের প্রজননক্ষেত্রগুলোকে বেশি, মাঝারি এবং কম উর্বর—এমন ৩ শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। দেশের সবচেয়ে উর্বর ইলিশ প্রজননক্ষেত্রগুলো শাহবাজপুর, তেঁতুলিয়া, আন্ধারমানিক এবং মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেলে অবস্থিত। অপরদিকে মাঝারি উর্বর প্রজননক্ষেত্রগুলো বিভিন্ন নদীর মোহনা এবং সাগরের উপকূলবর্তী নদীতে ছড়িয়ে রয়েছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অপরদিকে উপকূলের দূরবর্তী গভীর সমুদ্র এলাকায় ইলিশ খুব কম প্রজনন করে বলে এসব অঞ্চলকে কম উর্বর এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইলিশের বিচরণ এবং প্রজননক্ষেত্র হওয়ায় বছরের নির্দিষ্ট সময়ে এসব এলাকায় মাছ ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। পাশাপাশি উর্বর এবং মাঝারি উর্বর প্রজননক্ষেত্রগুলোর দূষণ কমিয়ে আনারও তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা।

গবেষকরা মনে করেন, দূষণ কমানো না গেলে এই প্রজননক্ষেত্র গুলো স্থায়ী নাও হতে পারে। আর তখন ইলিশ পার্শ্ববর্তী কোনো দেশের উপকূলে গিয়ে ডিম ছাড়বে। দেশের সমুদ্র ও নদ-নদীর ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকার প্রায় ২৩টি অঞ্চলের পানির ভৌত এবং রাসায়নিক গুণাবলি পরীক্ষা করেছেন গবেষকরা। পাশাপাশি ভোলা, পটুয়াখালী, হাতিয়া, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ, কুতুবদিয়া, মহেশখালী এবং কক্সবাজারের জেলেপল্লির জেলেদের দেওয়া তথ্য বৈজ্ঞানিক উপাত্ত আকারে ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়া তাঁরা হাতিয়া, তেঁতুলিয়া, শাহবাজপুর, আন্ধারমানিক এবং মেঘনা নদীতে জেলেনৌকায় অবস্থান করে সরাসরি ইলিশ আহরণ এবং ইলিশের প্রাপ্যতা পর্যবেক্ষণও করেছেন এই গবেষকরা।

গবেষক দলের প্রধান মো: শাহদাত হোসেন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘বিশ্বে প্রাপ্ত ইলিশের ৯০ শতাংশই ধরা হয় বঙ্গোপসাগর হতে। এরমধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে ৮০ শতাংশ, ভারতের উপকূলে মাত্র ১০ হতে ২০ শতাংশ এবং মিয়ানমারে ৩-৪ শতাংশ ইলিশ ধরা পড়ে থাকে। তিনি বলেন, ২০১০-১১ সালের হিসাব মতে বাংলাদেশে এক বছরে ধরা পড়া ইলিশের পরিমাণ ৩ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টনের মতো।’

মো: শাহদাত হোসেন মনে করেন, ‘ইলিশের উর্বর সব প্রজননক্ষেত্রকে অভয়াশ্রম হিসেবে নির্ধারণ করে, ডিমওয়ালা ইলিশ সংরক্ষণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তাতে প্রায় ২ হাজার কোটি পোনা অতিরিক্ত উৎপন্ন হবে। আবার সুরক্ষা দিলে বেশিসংখ্যক পোনা বড় হওয়ারও সুযোগ পাবে। এতেকরে অন্তত ২ লাখ টন অতিরিক্ত ইলিশ মাছ উৎপাদিত হবে।’

গবেষকরা দাবি করেছেন, উপমহাদেশে ইলিশের প্রজননক্ষেত্র নিয়ে এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ গবেষণা। এ জন্য সরকারকে দ্রুত উর্বর প্রজননক্ষেত্রগুলো সংরক্ষণের দিকে নজর দিতে হবে; রক্ষা করতে হবে এসব বিচরণক্ষেত্র। এতে দেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ হবে। তাহলে আর ভরা মৌসুমে ইলিশের ঘাটতি থাকবে না বলে গবেষকরা মনে করেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx