The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও তথ্য গোপনের অভিযোগ এরশাদের বিরুদ্ধে!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে এরশাদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ।

Earsad-01

আবার খবরের শিরোনামে চলে এসেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এবার খবরের বিষয় হচ্ছে সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও তথ্য গোপনের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। খবর বাংলাদেশ নিউজ২৪।

এক খবরে বলা হয়, ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এরশাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেকে নির্বাচিত ঘোষণার দাবি করেছেন রংপুর-৩ আসনে সেসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাসদের সাব্বির আহম্মেদ।

গত বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কাছে এই আবেদন জানিয়েছেন তিনি। আবার আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদনের পরদিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতিদ্বন্দ্বী এরশাদকে লিগ্যাল নোটিসও পাঠিয়েছেন এই প্রার্থী।

সাবেক সেনা প্রধানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন এমন দাবি করে সাব্বির বলেছেন, “এরশাদ এইচএসসি পাস করেননি। কোনো সার্টিফিকেট দেখাতে পারবেন না। এছাড়া আবুধাবির ইউনিয়ন ন্যাশনাল ব্যাংকের একাউন্টে থাকা ৩৭ লাখেরও বেশি ডলারের তথ্যও গোপন করেছেন তিনি।”

৫ জানুয়ারি ভোটের আগে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় কেনো রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেননি সে প্রশ্নের জবাবে সাব্বির বলেন, “অভিযোগ করার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে বেশ সময় লেগেছে। তাছাড়া নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার নাটকে আমরাও বিভ্রান্ত ছিলাম। কোন আসনে উনি (এরশাদ) নির্বাচন করবেন তা নিয়েও অনিশ্চিতা ছিল। আর এভাবেই বাছাইয়ের সময় পার হয়ে গিয়েছিল।”

হলফনামায় এরশাদ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে বিএ (পাস) উল্লেখ করেন। ইসির কাছে দেওয়া অভিযোগে সাব্বির বলেছেন, এরশাদ ১২ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে তার সব সার্টিফিকেট হারিয়ে গেছে, জানিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি করে নবম এবং দশম সংসদে হলফনামা জমা দেয়। ক্যান্টনমেন্ট থানায় সার্টিফিকেট হারানোর ডায়েরি কপিও (২০০৮ সালের ১৯ নভেম্বর, ডায়েরি নম্বর ৮৪২) জমা দেন এরশাদ।

“সাধারণত সাধারণ ডায়রিতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পাসের সাল উল্লেখ করে নিয়ম মেনে ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট পাবার বিধান থাকলেও সাবেক এই রাষ্ট্রপতি তা না করে দুই নির্বাচনে থানার ডায়রির কপি দেন।”

সংবাদ মাধ্যমের ওই খবরে আরও বলা হয়, ‘১৯৫২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান আর্মিতে যোগ দেওয়ার তথ্য তুলে ধরে ইসির কাছে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, ভারতের কুচবিহার (দিনহাটা) হতে এসএসসি, রংপুর কারমাইকেল কলেজ হতে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএ পাস করে আর্মিতে যোগ দেন এমন প্রচার থাকলেও কারমাইকেল কলেজ হতে এরশাদ কোনো পরীক্ষাই দেননি অথবা পাসও করেননি।’

এমন অভিযোগের বিষয়ে সাব্বির বলেছেন যে, “কারমাইকেল কলেজের ছাত্র ছিলেন এরশাদ। কিন্তু উনি অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে বহিষ্কৃত হন। তখন দেশে একমাত্র বোর্ডই ছিল ঢাকা। এ বোর্ড হতে কোনো সার্টিফিকেট দেখাতে পারবেন না তিনি।”

এছাড়াও নির্বাচন কমিশনেও নানা লুকোচুরির অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রবিকউদ্দীন আহমদ খুলনা সফরে থাকার কারণে হলফনামায় এরশাদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়টি এখনও কমিশনে পর্যালোচনা হয়নি বলে জানা যায়।

আবেদনটি একান্ত সচিবের মাধ্যমে দপ্তরের ফাইলে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়। রবিবার তা সিইসি দেখবেন এমনটিই জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমের ওই খবরে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx