The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক সুখি শিশুর গল্প: মায়ের গর্ভ থেকে হেসে চলেছেন ব্রিটেনের এক শিশু!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মায়ের গর্ভে কোনো শিশু হাসে এমন কথা কখনও শোনা যায়নি। কিন্তু এবার ঘটেছে এমন ঘটনা। মায়ের গর্ভ থেকেই হেসে চলেছেন ব্রিটেনের এক শিশু। আর তাই এই শিশুটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ‘সুখি শিশু’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

A happy baby story

মানুষ হাসে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে মায়ের গর্ভে! ব্রিটেনের এক শিশু তার মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় হেসে ওঠেন। জন্মের পরও তার মুখে হাসি লেগেই থাকে। এমন শিশুর কথা কখনও শোনা যায়নি। তাই সবাই এই শিশুকে পৃথিবীর সবথেকে ‘সুখি শিশু’ বলে অভিহিত করেছেন। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে, লিও ডেভিড হারগরিভস। তার সুখের রেসে সকলকেই হার মানাবে।

A happy baby story-2
চিকিৎসকরা ৪ডি আলট্রা সাউন্ড স্ক্যাণ রিপোর্ট দেখাচ্ছেন

এই শিশুটি জন্মাবার আগেই মাতৃজঠরেই হাসি যেনো তার আর ধরছিল না! পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মাতৃ জঠরে থাকা অবস্থায় তার ৪ডি আলট্রা সাউন্ড স্ক্যাণ রিপোর্ট দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান চিকিৎসক ও তার বাবা-মা। রিপোর্টে দেখা যায়, গর্ভেই রীতিমত কান এঁটো করে হাসছে শিশুটি। বিরল এই ছবি দেখে অবাক হয়ে যান সবাই। এর আগে মায়ের গর্ভেই হাসি মুখের সন্তানের ছবি কখনও দেখতে পাননি কোনো চিকিৎসক বা কেও।

A happy baby story-3
সুখী শিশুর বাবা-মা (উপরে)

সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ৩১ মাসের গর্ভবতী হওয়ার পর ব্রিটেনের অ্যামি ক্রেগ রুটিন চেকআপ করতে ডাক্তারের কাছে যান। সঙ্গে ছিলেন তারই প্রেমিক লিউটন হারগরিভস। সেখানে গিয়ে আলট্রা সাউন্ড স্ক্যাণ রিপোর্ট দেখে আশ্চর্য ও আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান তারা। অ্যামির সন্তান শুধু সুস্থ তাই নয়, রিপোর্টে দেখা যায় মায়ের গর্ভেই দিব্যি হাসছে তার শিশু।

A happy baby story-006

সম্প্রতি জন্ম নেয় অ্যামি ও লিউটনের ফুটফুটে সেই পুত্র সন্তান লিও। পুঁচকি হাসির লিও কিন্তু পৃথিবীর আলোও দেখেছে হাসতে, হাসতেই। তার বাবা-মা জানিয়েছেন, জন্ম ইস্তক প্রায় সব সময়ই হেসে চলেছে সে।

২৪ বছর বয়সী অ্যামি জানিয়েছেন, ‘লিউটন আর আমি একেবারে চমকে গিয়েছিলাম, এমনকি যারা আমার স্ক্যাণ করেছিলেন তারাও জানিয়েছেন এ দৃশ্য আগে তারা কোনোদনি কখনও দেখেননি।’

এই ‘সুখি শিশু’ লিও-র হাসি মুখের চর্চা এখন পুরো ব্রিটেন জুড়ে। অন্যদিকে, লিও-র হাসি মুখ নিজেদের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করতে ইতিমধ্যেই হামলে পড়েছে একাধিক বিজ্ঞাপনি সংস্থা। লিওর মনকাড়া হাসিকে নিজেদের ইউএসপি করতে একাধিক কোম্পানি ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করে ফেলেছেন তার বাবা-মায়ের সঙ্গে। তবে লিও বড় না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করতে দেবেন না এই লাভ বার্ডস যুগল।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...