The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাঁশের সাঁকো : তবে লম্বায় এক কিলোমিটার!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বাঁশের সাঁকো তাও আবার এক কিলোমিটার লম্বা! আড়িয়াল খাঁ নদীর সেই উত্তাল রুদ্র মূর্তি না থাকায় নাব্যতা সংকটের কারণে এখন মুলাদী উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এ নদীর উপর দিয়ে কাজিরচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা এক কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের আর কোথাও বোধহয় এমন দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নেই।
Baser Sako
অনেকেই এই এলাকায় গেলে বলেন, এতো দীর্ঘতম বাঁশের সাঁকো শুধু বাংলাদেশেই নয়- পৃথিবীর আর কোথাও আছে কি না সন্দেহ। এই বাঁশের সাঁকোটি গ্রীনেজ বুক অব রেকর্ডে দেওয়া উচিত। বাদামতলা এলাকা দিয়ে কাঠেরচর গ্রামের হাজার হাজার মানুষ এখন এ সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচল করেন। কয়েক বছর আগেও এ গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিলো নৌকা। নাব্যতা সংকটে এখন জোয়ারের সময় নৌকা চললেও ভাটার সময় সেই নৌকাও চলাচল করতে পারে না। হাঁটু কিংবা কোমর পর্যন্ত পানিতে পুরুষরা কোনো রকম হেঁটে যাতায়াত করলেও নারী ও শিশুরা ছিল অবরুদ্ধ। পণ্য পরিবহন করতে এখনো জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করে। গ্রামবাসীর এ সমস্যা নিরসনে সরকারি কোনো সহায়তা না পেয়ে নিজেরাই একত্রিত হয়ে উদ্যোগ নিয়ে বাদামতলা এলাকা থেকে কাঠেরচর গ্রাম পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। এত দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো ইতিপূর্বে আর এ অঞ্চলে কেউ দেখেনি বলে বয়স্করা জানান।

Loading...