দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চাঁদে মানুষ যাওয়া নিয়ে সেই যে রহস্য তারপর একের পর এক রহস্য ঘোরতর হচ্ছে। এবার চাঁদ নিয়ে নানা রহস্য উঠে এসেছে!
পৃথিবীর আদিকাল থেকে মানুষ যখন বিচার বুদ্ধির অধিকারী হলো তখন থেকেই চাঁদ নিয়ে গবেষণার যেনো শেষ নেই। পৃথিবী হতে ২,৩৯,০০০ মাইল দূরে অবস্থান করার পরও এটি আমাদের সবসময় আকর্ষণ করে।
বিজ্ঞানীরা এই চাঁদের নানা রহস্য উৎঘাটনের জন্য গবেষণা অব্যাহত রেখেছেন। গবেষণায় বার বার উদঘাটিত হচ্ছে নানা তথ্য। তবুও যেনো রহস্যের কিনারা পাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা।
চাঁদে আবর্জনা
চাঁদে আবর্জনা দেখা গেছে। প্রায় ২০০ টন পরিমাণে ধ্বংসাবশেষ রয়েছে চাঁদে। ১৯৬৯ সাল হতে এই পর্যন্ত ১২টি মহাকাশচারী অভিজানের মাধ্যমে সেখানে পরিত্যক্ত হয় উপগ্রহ, রকেট, ক্যামেরা, ব্যাকপ্যাক ও গলফ বল ইত্যাদি অতিরিক্ত অনেককিছুই ফেলে আসা হয়। এ সব আবর্জনা দূর করার জন্য চাঁদে নাসা একটি পলিকার্বোনেট ক্যাপস্যুল পাঠিয়েছিল।
চাঁদ ধীরে ধীরে অদৃশ্য দূরে সরে যাচ্ছে
প্রতিবছর পৃথিবী হতে চাঁদ প্রায় চার সেন্টিমিটার করে দূরে সরে যাচ্ছে। অর্থাৎ ৫শ’ মিলিয়ন বছর পর চাঁদ আরও ১৪,৬০০ মাইল দূরে সরে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চন্দ্রাহতের জন্য চাঁদ’ই দায়ী?
মধ্যযুগেও অনেক দার্শনিক এবং বিজ্ঞানীরা মনে করতেন যে, পূর্ণিমার কারণে হৃদরোগ, জ্বর এবং বাত প্রভাবিত হয়ে থাকে। কারণ চাঁদের সঙ্গে অনেক অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যেতো। যে কারণে তখন থেকেই চাঁদকে অসুস্থ বলে মনা করা হতো। যা চন্দ্রাহত নামে পরিচিত। আসলেও কি তাই? এই রহস্য এখনও রহস্যই রয়ে গেছে।
চাঁদে পায়ের ছাপ!
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, চাঁদে পায়ের ছাপ রয়েছে। তবে চিন্তার বিষয় একটাই হলো ৪০ বছর আগে চাঁদে যাবার পরও সেখানে এখনও পায়ের ছাপ কীভাবে থাকে? তাহলে কি সত্যিই চাঁদেও এলিয়েন রয়েছে? নাকি, সেই চিন্তাও সঠিক নয়। ১৯৬৯ সালে সর্বপ্রথম যারা চাঁদে পা রেখেছিলেন এটি কী তাদেরই পায়ের ছাপ? তাহলে কি চাঁদে রোদ, বৃষ্টি, পানি, বাতাস ইত্যাদি না থাকার পরও আজও সে পায়ের ছাপ রয়ে গেছে সেখানে?
এমন নানা রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের বিচলিত করে তোলে। তবে গবেষণা এখনও চলছে চাঁদ নিয়ে, ভবিষ্যতেও চলবে।