ভক্তের হামলার শিকার পপ সুপারস্টার জাস্টিন বিবার !

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ টিন সেনসেশন খ্যাত কানাডীয় পপগায়ক জাস্টিন বিবার , ঘরে বাইরে সবসময় আলোচিত এবং আলোড়িত তার কর্মকান্ডে এবং সেলিব্রেটি ইমেজে !  সম্প্রতি দুবাইয়ে আয়োজিত এক কনসার্টের  স্টেজে গান গাওয়ার সময় এক ভক্তের আক্রমনের শিকার হলেন কানাডীয় পপ তারকা জাস্টিন বিবার।

url

রবিবার রাতে ১৯ বছর বয়সী সঙ্গীতের বিস্ময়কর এই তারকা যখন তার ‘বিলিভ’ গানটি গাওয়ার জন্য স্টেজে উঠেন ঠিক তখনি এ ঘটনা ঘটে। সাদা শার্ট আর জিন্স পড়ে কনসার্টের সময় পিয়ানোর এক পাশে বসেছিলেন। অপ্রস্তুতভাবে হঠাৎ এক পাগল ভক্ত এসে  বিবারকে পিছন থেকে জাপটে ধরেলে বিবার নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে মঞ্চের এক কোনায় চলে যায়। এসময় ওই ভক্ত বিবারকে আক্রমন করার চেষ্টা করে পিয়ানো দখল করে। পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে !

অবশ্য এ ঘটনায় থেমে থাকেনি বিবারের কনসার্ট। কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে আবারো পিয়ানোর পূর্ব আসনটিতে বসে পুরোদমে গান পরিবেশনা শুরু করেন।  টুইটার বার্তায়  বিবার বলেন,  “কোনো কিছুই আমার কনসার্টকে প্রতিহত করতে পারবে না। আমার আছে অসংখ্য ভক্ত। আসল ভক্তদের জন্যই থাকবে আমার পরিবেশনা।”

প্রত্যক্ষদর্শী একজনের বরাত দিয়ে উইএসম্যাগাজিন এ খবর জানিয়েছে।

অবশ্য এ ঘটনা ছাড়াও বিবারের দুবাই থেকে ফিরে আসতে ঘণ্টা দুয়েক দেরি হওয়ায় তার বাবা-মা চিন্তিত বেশ চিন্তিত ছিলেন!

উল্লেখ্য, বিবারের প্রথম পূর্ণ অ্যালবাম মাই ওয়ার্ল্ড ২০১০ এর ২৩ মার্চ প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য অর্জন করে এবং বেশ কয়েকটি দেশে শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম সনদে ভূষিত হয়। এই অ্যালবামের বেবি গানটী বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। গানটির মিউজিক ভিডিও এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সর্বাধিক প্রদর্শিত, আলোচিত এবং অপছন্দিত ইউটিউব ভিডিও। তার ইউটিউব ভিডিওটি এখন পর্যন্ত দেখা হয়েছে ২০০ কোটি বার । বিবারের পরবর্তি অ্যালবাম নেভার সে নেভার – দ্য রিমিক্সেস। এটি প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১১।

জাস্টিন বিবার বিগত কয়েক অসংখ্য পুরস্কার ও সাধুবাদ অর্জন করেছেন। ২০১০ অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-এ বিবার বর্ষসেরা শিল্পীর পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ৫৩তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস-এ শ্রেষ্ঠ নবীন শিল্পী ও বেস্ট পপ ভোকাল অ্যালবাম পুরস্কার দুইটির জন্য মনোনীত হন। বিবারের সঙ্গীত, চিত্র ইত্যাদি বিশ্বব্যাপী আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের বিষয় পরিণত হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...