মরক্কোর মারাকেশের কুতুবিয়া জামে মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৬ খৃস্টাব্দ, ১৬ মাঘ ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউস সানি ১৪৩৭ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

Kutubiy Mosque in Marrakesh, Morocco

যে ছবিটি আপনারা দেখছেন সেটি মরক্কোর মারাকেশের কুতুবিয়া জামে মসজিদ। নান্দনিক এই মসজিদটি ঐতিহাসিক ও দর্শনীয়।

মরক্কোর দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরের নাম হলো মারাকেশ। মারাকেশকে অনেকেই ‘রেড সিটি’ বা ‘রাঙা শহর’ নামে ডাকেন। হাজার বছরের পুরনো এই শহরটি পর্যটকদের নিকট অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বলা হয়ে থাকে, প্রকৃত ঐতিহ্যবাহী মরক্কো দেখতে হলে মারাকেশ আসতেই হবে।

মারাকেশের অন্যতম আকর্ষণ হলো এই কুতুবিয়া জামে মসজিদ। মসজিদটি বেশ আকর্ষণীয় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত। প্রাচীন এই মসজিদটি মারাকেশের সবচেয়ে বড় ও বিখ্যাত মসজিদ।

এই মসজিদের মিনার নির্মিত হয় ১১৮৪-১১৯৯ খৃষ্টাব্দে খলিফা ইয়াকুব আল মনসুরের শাসনামলে। এটি বিশ্বের সেরা মসজিদ-মিনারগুলোর অন্যতম। এই মিনারের অনুকরণে স্পেনের সেভিলের গিরাল্ডা (বুরুজবিশেষ) এবং আফ্রিকার রাবাতের হাসান বুরুজ নির্মাণ করা হয়।

মসজিদটি নির্মাণ করা হয় ঐতিহ্যবাহী আলমোহাদ স্থাপত্য ঘরানায় এবং এটি বুরুজ বা মিনারে স্থান পেয়েছে ৪টি তামার গোলক। বুরুজের উচ্চতা ৬৯ মিটার (বা ২২১ ফুট)। পার্শ্বিক দৈর্ঘ্য ১২ দশমিক ৮ মিটার (বা ৪১ ফুট)। মিনারটিতে একটির ওপর আরেকটি মোট ৬টি কক্ষ স্থান পেয়েছে। এগুলোতে হেলানরীতিতে তৈরি করা হয়েছে সিঁড়ির পরিবর্তে বিশেষ পথ। এই পথ দিয়েই মসজিদের মুয়াজ্জিন ঝুল বারান্দায় উঠতে পারেন।

কথিত রয়েছে যে, আদিতে মসজিদের গোলক ছিল ৩টি। এগুলো ছিল নাকি খাঁটি সোনার তৈরি। জানা যায়, চতুর্থ গোলকটি নির্মিত হয়েছিল ইয়াকুব আল-মনসুরের স্ত্রীর সৌজন্যে। তিনি নাকি রমজান মাসে একটি রোজা রাখতে ব্যর্থ হন। রোজা রাখতে ব্যর্থ হওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিনি নাকি তার স্বর্ণের অলঙ্কর‍ণ গলিয়ে চতুর্থ গোলকটি নির্মাণ করেন। কুতুবিয়া মসজিদের নামকরণ করা হয়- আরবি শব্দ আল-কুতুবিয়ান হতে। যার অর্থ গ্রন্থাগারিক। এটি বিশ্বের খ্যাতিমান মসজিদের একটি।

ছবি ও তথ্য: www.banglanews24.com এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...