The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

অ্যান্টার্কটিকার বরফ থেকে অদ্ভুত রেডিও সিগন্যাল!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিজ্ঞানীর কাছে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ একটি অজানা তদন্ত ছিল অন্তত একবার: অ্যান্টার্কটিকার বরফ ভেদ করে আসা অদ্ভুত রেডিও সিগন্যাল।

অ্যান্টার্কটিকার বরফ থেকে অদ্ভুত রেডিও সিগন্যাল! 1

পেনসিলভানিয়ার একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা দলের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মহাদেশীয় বরফের নিচ থেকে এমন সঙ্কেত আসছে যা সাধারণ কসমিক পটভূমির চেয়ে আলাদা এবং নিয়মবহির্ভূত বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।

এই সিগন্যালগুলো কিছুটা অনুকরণ করে এমনভাবে যে তারা ঐতিহ্যগত কসমিক রশ্মি নয়, বরং বরফ ও ভূতাত্ত্বিক গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অজানা উত্স থেকে আসতে পারে- বা এমনকি বায়ুর উপরের স্তর থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরতে পারে। বিজ্ঞানীরা এখনো এটির ব্যাখ্যা খুঁজছেন এবং এটি মহাদেশের বরফস্তর বিশ্লেষণের নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত করেছে।

এই অদ্ভুত রেডিও সিগন্যালগুলো গবেষকদের কাছে দৃষ্টান্তহীন কারণ নভোচারী বা মহাজাগতিক বিরল ঘটনাগুলোর জন্য বরফখণ্ডগুলো সাধারণত নিরপেক্ষ মাধ্যম; অথচ এখানে যে তথ্যপ্রেরণ ঘটছে তা প্রচলিত ভূতাত্ত্বিক এবং মহাজাগতিক থিওরির বাইরে। চলতি বছর আরও গবেষণা সম্পন্ন হতে পারে যা আমাদের ভূ–মহাজাগতিক পরিবেশ সম্পর্কে নতুন ধারণা দেবে।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali