The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বরফের নিচে প্রাণের সন্ধান: অ্যান্টার্কটিকায় ১০ লাখ বছর পুরোনো জীবনের চিহ্ন!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের সবচেয়ে নির্জন ও শীতল মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা আবারও মানবসভ্যতাকে বিস্মিত করেছে।

বরফের নিচে প্রাণের সন্ধান: অ্যান্টার্কটিকায় ১০ লাখ বছর পুরোনো জীবনের চিহ্ন! 1

২০২৫ সালের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক গবেষক দল সেখানে কয়েক কিলোমিটার গভীর বরফস্তরের নিচে এমন কিছু অণুজীবের চিহ্ন পেয়েছে, যেগুলোর বয়স প্রায় ১০ লাখ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের মধ্যে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

কীভাবে মিললো এই জীবনের চিহ্ন

বিশেষ ড্রিলিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বরফের গভীর স্তর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেসব নমুনা পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সেখানে এমন ব্যাকটেরিয়ার জিনগত কাঠামো রয়েছে যা আজকের পরিচিত কোনো জীবের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

কেনো এটি বিস্ময়কর

এত দীর্ঘ সময় চরম শীত, অক্সিজেনের অভাব ও সূর্যালোক ছাড়াই কোনো জীব টিকে থাকতে পারে—এ ধারণাই বিজ্ঞানীদের পূর্ববর্তী বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করছে।

মহাকাশ গবেষণায় প্রভাব

এই আবিষ্কার মঙ্গল বা ইউরোপা (জুপিটারের উপগ্রহ)-তে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আশা তৈরি করেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি অ্যান্টার্কটিকায় সম্ভব হয়, তবে অন্য গ্রহেও জীবন থাকতে পারে।

বরফের নিচে লুকিয়ে থাকা এই প্রাচীন জীবনের চিহ্ন মানব ইতিহাসের নয়, বরং মহাবিশ্ব বোঝার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali