The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

অন্ধরাও পাবেন বিখ্যাত শিল্পকর্মের প্রকৃত শৈল্পিক অনুভূতি!

অন্যের সাহায্য ছাড়ায় অন্ধরা পাচ্ছেন চিত্রশিল্পের প্রকৃত দর্শন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আপনি হয়ত উপলব্ধি করে থাকবেন অন্ধ ব্যক্তিরা চোখে না দেখলেও তাদের অন্যান্য ইন্দ্রিয় স্বাভাবিক মানুষের থেকে অনেক তীক্ষ্ণ হয়। তাই অন্ধ হলেও অনেক জিনিসের অনুভুতি তারা বুঝতে পারে। তবে বিশ্বের সুনাম খ্যাত শিল্পকর্মগুলো তারা তো আর স্পর্শ করে বুঝতে পারে না।

অন্ধরাও পাবেন বিখ্যাত শিল্পকর্মের প্রকৃত শৈল্পিক অনুভূতি! 1

আপনি হয়ত উপলব্ধি করে থাকবেন অন্ধ ব্যক্তিরা চোখে না দেখলেও তাদের অন্যান্য ইন্দ্রিয় স্বাভাবিক মানুষের থেকে অনেক তীক্ষ্ণ হয়। তাই অন্ধ হলেও অনেক জিনিসের অনুভুতি তারা বুঝতে পারে। তবে বিশ্বের সুনাম খ্যাত শিল্পকর্মগুলো তারা তো আর স্পর্শ করে বুঝতে পারে না।

ধরুন আপনার এলাকায় বিখ্যাত সব শিল্পীদের আঁকানো ছবি সমৃদ্ধ একটি আর্ট গ্যালারী আছে। সেখানে কোন অন্ধ ব্যক্তি গিয়ে কোন ছবির প্রকৃত অনুভুতি উপলব্ধি করতে পারবে না। তাই অন্ধদের কাছে বিশ্বের বিখ্যাত সব চিত্র শিল্পকে ফুটিয়ে তুলতে এবং তাদের শৈল্পিক অনুভূতি প্রদান করতে এবার লাইফ ম্যাগাজিনের সাবেক ফটোগ্রাফার জন অলসান দৃষ্টিহীনদের জন্যে খুলেছেন এক অপূর্ব আর্ট গ্যালারি। সেখানে রাখা হয়েছে বিখ্যাত সব ছবির থ্রিডি ভার্সন যা স্পর্শ করেই অন্ধরা সেই ছবির প্রকৃত অনুভূতি বুঝতে পারবেন।

এখানে সকল ছবি হাত দিয়ে স্পর্শ করার অনুমতি রয়েছে। কোন ছবির কোথাও যদি নদীর পাড় তারপর পানি ইত্যাদি থাকে, তবে অন্ধরা হাত দিয়েই বুঝতে পারছেন এইটা একটি নদীর পাড় এবং তার মধ্যে হাত দিলেই পানির ঝাপটা এসে হাতে লাগার মত অনুভূতি। ফলে তারা বুঝতে পারছে এটি একটি নদীর সুন্দর চিত্র।

অন্ধরাও পাবেন বিখ্যাত শিল্পকর্মের প্রকৃত শৈল্পিক অনুভূতি! 2

সেই সাথে অন্ধরা ছবির যেই অংশে হাত বুলাবে অডিও ভার্সনে সেই অংশের নাম এবং বর্ণনা করবে। ফলে কোন অংশে হাত বুলিয়েও যদি তারা সঠিকভাবে বুঝতে না পারে, তখন এই অডিও শুনে তা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবে। অন্ধরা এমন একটি গ্যালারিতে এসে বিখ্যাত ছবিগুলোর প্রকৃত অনুভুতি উপলব্ধি করতে পেরে খুবই আনন্দিত। প্রযুক্তির উন্নয়নেই আজ এমন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এমন রুপ দিতে প্রথমে টুডি ছবিকে থ্রিডি ডাটায় রূপান্তর করা হয়েছে। পরের ধাপে এই থ্রিডি ডাটাকে একটি শেপ বা ছাঁচের আকার দেয়া হয়েছে। এবং সর্বশেষ ধাপ হিসেবে একে প্রিন্ট দেয়া হয়েছে। এভাবেই একটি সাধারণ ছবিকে দৃষ্টিহীনদের দেখার বা উপলব্ধির উপযোগী করে তোলা হয়।

এখন থেকে অন্ধদের অন্যদের কাছে বর্ণনা শুনে কোন বিখ্যাত ছবির প্রকৃত উপলব্ধি পেতে হবে না। নিজেই স্পর্শের মাধ্যমে ছবির আসল সৌন্দর্য্য বুঝতে পারবেন।

Loading...