The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

জেএসসি-জেডিসিতে পাসের হার ৮৫.৮৩ % : প্রাথমিকে ৯৭.৫৯% পাস, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯ %

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ (সোমবার) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় এবছর পাস করেছে ৮৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী; ৬৮ হাজার ৯৫ জন পেয়েছে জিপিএ-৫।

জেএসসি-জেডিসিতে পাসের হার ৮৫.৮৩ % : প্রাথমিকে ৯৭.৫৯% পাস, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯ % 1

সেই হিসেব মতে এবছর এই পরীক্ষায় পাসের হার বাড়লেও পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বড় ধরনের ধস নেমেছে।

বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ (সোমবার) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন।

গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে সম্মিলিতভাবে ৮৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ জন পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পায়।

ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তরের পর শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, আগে অষ্টমের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয়ের নম্বর ধরেই ফলাফল হিসাব করা হত। মূল্যায়ন পদ্ধতির ধারাবাহিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এবছর তা করা হয়নি।

সে কারণেই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে বলে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “চতুর্থ বিষয়ের নম্বর যোগ করলে দেখা যাবে জিপিএ ফাইভ বেড়ে গেছে।”

বেলা ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ এবারের জেএসসি-জেডিসির ফলাফলের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তার সংবাদ সম্মেলনের পর হতেই শিক্ষাথীরা ফল জানতে পারবে।

গত ১ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশের ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী জেএসসি-জেডিসিতে অংশ নিয়েছিলো। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২২ লাখ ৩০ হাজার ৮২৯ জন।

এর মধ্যে ৮ বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে পাসের হার ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে পাস করেছে ৮৯ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।

আজ (সোমবার) গণভবনে একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

গণভবনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানর শিক্ষার্থীদের হাতে ২০১৯ সালের নতুন বই তুলে দিয়ে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন।

মোবাইলে ফলাফল জানতে

যে কোনো মোবাইল হতে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

এছাড়াও শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboardresults.gov.bd) এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফলাফল জানা যাবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ই-মেইলেও জেএসসি-জেডিসির ফলাফলের সফটকপি পাঠাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড। প্রয়োজনে এদের কাছ থেকেও ফলাফলের কপি সংগ্রহ করা যাবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি।

প্রাথমিকে ৯৭.৫৯% পাস, ইবতেদায়ীতে ৯৭.৬৯ %

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং ইবতেদায়ীতে ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে এই বছর।

তার মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন। আর ইবতেদায়ীতে ১২ হাজার ২৬৪ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার আজ (সোমবার) সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। পরে দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।

গত বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন; আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন।

এই হিসাবে এবছর পঞ্চম শ্রেণির এই সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ জিপিএ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবার বেড়েছে।

গত ১৮ হতে ২৬ নভেম্বর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

পঞ্চমের ফলাফল জানার পদ্ধতি

যে কোনো মোবাইল ফোন হতে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে তারপর স্পেস দিয়ে 2018 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রাথমিক সমাপনীর ফলাফল জানা যাবে।

ইবতেদায়ীর ফল পেতে হলে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম ৫ সংখ্যা উপজেলা/থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় হতেও জানা যাবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট থেকেও প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনীর ফল জানা যাবে।

অষ্টমের ফল জানা যাবে যেভাবে

যে কোনো মোবাইল থেকে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2018 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...